32709

04/21/2026

বিআইডব্লিউটিএ ডুবছে সালাম-মাহে আলমের ঘুষ বাণিজ্যে

শাহীন আবদুল বারী | Published: 2026-04-21 14:21:09

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) বৃহৎ একটি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠান থেকে সরকার কতটুকু লাভবান বা রাজস্ব আদায় হচ্ছে তা নিশ্চয়ই কর্তৃপক্ষ অবগত রয়েছে। লোকসানের খতিয়ানও ভারী কিনা তাও কর্তৃপক্ষই নিশ্চিত জানে। তবে পতিত সরকারের আমলে এই প্রতিষ্ঠানটি ছিলো দুর্নীতির আখড়া। টেন্ডার বাণিজ্য, নিয়োগ-বদলি, ঘাট ইজারা ও সরবরাহ সহ সবকিছুই নিয়ন্ত্রণ করতেন তৎকালীন নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান এবং প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী সিন্ডিকেট। তাদের দোসররা বিআইডব্লিউটিএ'তে এখনও সক্রিয়।

উক্ত সিন্ডিকেটের অন্যতম সদস্য নৌ-সংরক্ষণ ও পরিচালনা বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক মোঃ আব্দুস সালাম এবং একই বিভাগের (টাইপিস্ট) মোঃ মাহে আলম। এই বিভাগে প্রকাশ্যে চলে ঘুষের লেনদেন। ঠিকাদারি কাজ বা ফাইল এগুতে এই জুটিকে দিতে হয় মোটা দাগের ঘুষের টাকা। বিলের ফাইল থেকে শুরু করে যেকোনও ফাইল আটকিয়ে তারা ঘুষ বাণিজ্য করেন। সংস্থাটিতে তারা আওয়ামী দোসর ও দালাল নামে পরিচিত থাকলেও কর্তৃপক্ষ এই ব্যাপারে উদাসীন।

সম্প্রতি, তাদের বিরুদ্ধে বিআইডব্লিউটিএ ও নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন সংস্থায় একাধিক লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে। সালাম-মাহে আলমের দুর্নীতি ও অনিয়মের বহু তথ্য-উপাত্ত এবং প্রকাশ্যে ঘুষ গ্রহণের একাধিক ছবি ও ভিডিও বর্তমানে দ্য ফিন্যান্স টুডে'র এই প্রতিবেদকের হাতে সংরক্ষিত আছে যা জনস্বার্থে পর্যায়ক্রমে প্রকাশিত হবে।

নৌ-সংরক্ষণ ও পরিচালনা বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক মোঃ আব্দুস সালাম (পাঞ্জাবী পরিহিত) এবং একই বিভাগের (টাইপিস্ট) মোঃ মাহে আলম

প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, বিআইডব্লিউটিএ'র ব্রীজ ক্লিয়ারেন্স (এনওসি) প্রদান প্রক্রিয়া ঘিরে অনিয়ম, হয়রানি ও আর্থিক লেনদেনের মতো গুরুতর অভিযোগ জমা পড়েছে নৌ মন্ত্রণালয়ে। একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে সরকারি এই সেবা প্রদানকারী সংস্থাটিকে নিয়ন্ত্রণ করছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরও ফ্যাসিবাদী চক্রের "বঙ্গবন্ধু পরিষদের" একশ কর্মকর্তা সহ শ্রমিক লীগের ২/৩ হাজার কর্মচারী বহাল রয়েছে। তাদেরকে লাখ লাখ টাকার বিনিময়ে চাকরি ও পদোন্নতি দিয়ে প্রতিষ্ঠিত করেছেন সাবেক নৌমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। তাদের রেখে যাওয়া বীজগুলো শুধু খোলস পরিবর্তন করেছে। আগে ছিলো আওয়ামীপন্থী। আর এখন বনে গেছে বিএনপি-জামাত পন্থী। বর্তমান সরকার এই প্রতিষ্ঠান থেকে লাভবান হতে চাইলে শুরুতেই এখানে চিরুনি অভিযান চালাতে হবে বলে দাবি করেছেন প্রতিষ্ঠানটির বঞ্চিত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

আওয়ামী দোসরদের নেপথ্যে রয়েছেন সংস্থাটির নৌ-সংরক্ষণ ও পরিচালন বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক মো, আব্দুস ছালাম এবং একই বিভাগের মো: মাহে আলম। সম্প্রতি এসব অভিযোগ তদন্তের জন্য মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশনা দেওয়া হলেও রাজনৈতিক প্রভাব ও উচ্চপর্যায়ের যোগসাজশের কারণে সংশ্লিষ্টরা এখনো শাস্তির বাইরেই রয়েছেন বলে জানা গেছে।

এই বিষয়ে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব জাকারিয়া মিডিয়ার কাছে বলেছেন, বিআইডব্লিউটিএ-তে আমি যোগদান করেছি মাত্র দুই তিন দিন হয়েছে। তারপরও বলতে চাই, যদি কোনো কর্মকর্তা ও কর্মচারীর বিরুদ্ধে অনিয়ম, হয়রানি ও আর্থিক লেনদেনের গুরুতর অভিযোগ পাওয়া যায় তবে তদন্ত করেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ব্রীজ ক্লিয়ারেন্সে ‘ডিজিটাল হয়রানি’

বিভিন্ন সরকারি সংস্থা-যেমন সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর, রেলওয়ে বা বিদ্যুৎ উন্নয়ন সংস্থা-যখন নদীর ওপর সেতু নির্মাণের জন্য বিআইডব্লিউটিএ’র কাছে অনাপত্তিপত্র চায়, তখন আবেদন প্রক্রিয়ায় অযৌক্তিক বিলম্ব করা হয়। নির্দিষ্ট আর্থিক সুবিধা না দিলে আবেদন ‘রিভিউ’ বা ‘পেন্ডিং’ দেখিয়ে আটকে রাখা হয়। এতে প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্ব ঘটে এবং সরকারি ব্যয় বাড়ানোর চেষ্টা চলে।

অভিযোগ উঠেছে যে, নৌ সংরক্ষণ ও পরিচালনা বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক মোঃ আব্দুস সালাম উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ঠিকাদারের সাথে যোগসাজশ করে ঘুষের বিনিময়ে ব্রীজের উচ্চতা কমিয়ে দেয়ার প্রলোভন দেখান। অতীতেও ব্রীজ তৈরির অনাপত্তিপত্র প্রদানকালে তিনি ঘুষ নিয়ে নদীর ভুল ক্ল্যারিফিকেশন দিয়েছেন বলে কথিত আছে। দায়িত্বে অবহেলার কারণে বহুবার তার কাছে কৈফিয়ত তলব করা হয়েছে। তার ব্যক্তিগত ফাইল তল্লাশি করলে এর সত্যতা মিলবে বলে দাবি সংশ্লিষ্ট সূত্রের।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন প্রকৌশলী বলেন, ব্রীজ ক্লিয়ারেন্স একটি অত্যন্ত কারিগরি বিষয়। এখানে স্বচ্ছতা না থাকলে পুরো নৌপথ ব্যবস্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ভবিষ্যতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ে।

নদীর শ্রেণিবিন্যাসে কারসাজির অভিযোগ

ঘুষের বিনিময়ে নদীর শ্রেণিবিন্যাস ইচ্ছাকৃতভাবে পরিবর্তন করে সেতুর উচ্চতা কমিয়ে দেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করা হয়। এতে ভবিষ্যতে বড় নৌযান চলাচলে বাধা তৈরি হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নদীর শ্রেণিবিন্যাসে ভুল হলে তা দীর্ঘমেয়াদে দেশের নৌপরিবহন ব্যবস্থায় বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। নদীর নেভিগেশনাল ক্লিয়ারেন্স কমিয়ে দেওয়া হলে তা শুধু বর্তমান নয়, ভবিষ্যতের অর্থনীতির ওপরও চাপ সৃষ্টি করবে।

আরও অভিযোগ হচ্ছে, ব্রীজ ক্লিয়ারেন্স এর মতো একটি সম্পূর্ণ করিগরি বিষয়ে তৃতীয় শ্রেণীর একজন টাইপিস্টের ওপর অতিরিক্ত পরিচালকসহ পুরো বিভাগের এই নজিরবিহীন নির্ভরশীলতা চরমভাবে প্রতিষ্ঠানের জন্য লজ্জাজনক এক অধ্যায়।

একজন টাইপিস্ট যখন প্রটোকল ভেঙ্গে খোদ চেয়ারম্যানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের নীতি নির্ধারণী সভায় উপস্থিত থাকে, তখনও সংস্থাটির শীর্ষ কর্মকর্তাদের আত্মসম্মানবোধে বিন্দুমাত্রও আঘাত লাগে না। এর কারণ হচ্ছে, পুরো প্রশাসন এই সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি।

জনগণের ট্যাক্সের টাকায় বেতনভুক্ত হয়েও যারা দুর্নীতি ও ঘুষের টাকায় বিলাসবহুল জীবন-যাপন করেন তাদের খুটির জোর কোথায় তা সহজেই অনুমেয়। জনগণের এই সরকার রাষ্ট্রীয় স্বার্থে সালাম-মাহে আলম সহ বিআইডব্লিউটিএ'র দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করলে প্রতিষ্ঠানটি লাভের মুখ দেখবে। এতে কর্মক্ষেত্রও বাড়বে বলে মত বিশ্লেষকদের।

অভিযোগে প্রকাশ, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা পরিদর্শনের নামে আবেদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে ভ্রমণ ব্যয়, থাকা-খাওয়ার সুবিধা আদায় করেন। এরপর আবার একই সফরের জন্য সরকারি তহবিল থেকে টিএ/ডিএ বিল উত্তোলন করা হয়। এই ধরনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে তা সরাসরি সরকারি অর্থ আত্মসাতের শামিল বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। তারা মনে করেন, সংশ্লিষ্ট হিসাব বিভাগে অনুসন্ধান করলেই এর প্রমাণ পাওয়া যাবে। তবে সব যখন চোরের সর্দার; সেক্ষেত্রে কৌশল অবলম্বন করতে হবে।

সাবেক এক হিসাব কর্মকর্তা বলেন, একই সফরে দুই উৎস থেকে সুবিধা নেওয়া হলে তা স্পষ্ট আর্থিক অনিয়ম। হিসাব বিভাগে যাচাই করলে এর প্রমাণ পাওয়া সম্ভব।

টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ

দাপ্তরিক দায়িত্বের বাইরে গিয়ে সিন্ডিকেটের অন্যতম হোতা মাহে আলম অতিরিক্ত পরিচালকের হয়ে বিভিন্ন ঠিকাদারের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে। কার্যাদেশ বাস্তবায়নের আগে-পরে আর্থিক সুবিধা দাবি করে। এই বিষয়টি প্রশাসনিক শৃঙ্খলার প্রশ্ন তুলেছে। মাহে আলম অফিসে বসেই যেভাবে ঘুষের টাকা গ্রহণ করেছেন, তার প্রমাণাদি এই প্রতিবেদককের সংরক্ষণে রয়েছে।

মাহে আলম বিভিন্ন দরপত্র কার্যক্রমে কার্যাদেশ প্রাপ্ত ঠিকাদারদের নিকট হতে কার্য সম্পাদনের আগে এবং পরে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে আর্থিক দাবি করেন বলে ঠিকাদারদের অভিযোগ। তাদের দাবি মতে, অফিসে বসে প্রকাশ্যে আর্থিক লেনদেন ও ঘুষ গ্রহণের চিত্র তদন্ত করলে স্পষ্টভাবে প্রমাণ পাওয়া যাবে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে দুই ঠিকাদার অভিযোগ করেন, অতিরিক্ত পরিচালক আব্দুস সালাম বছর কয়েক আগে ৫ লাখ টাকা করে ঘুষ নিয়েছেন কাজ দেয়ার জন্য। দু'জনকেই ৪/৫ লাখ টাকার ছোট্ট দুইটি কাজ দিয়ে দায়মুক্ত হয়েছেন। আর ঠিকাদাররা যে বিল পেয়েছে, তাতে লেবার (শ্রমিক) খরচও উঠেনি।

আয়বহির্ভূত সম্পদ ও জীবনযাপন নিয়ে প্রশ্ন

অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আয় ও জীবনযাত্রার মধ্যে রয়েছে ব্যাপক অসামঞ্জস্য। ঢাকায় তাদের একাধিক ফ্ল্যাট, জমি ও বিলাসবহুল গাড়ী নিয়ে আয়েশী জীবনযাপনের বিষয়টি তদন্তের দাবি উঠেছে। মাত্র ৩৫ হাজার টাকা বেতনভোগী মাহে আলম বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে কিভাবে থাকেন তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সন্তানদের পড়াশোনা করান রাজধানীর নামি-দামি স্কুলে। মাঝে মধ্যেই স্বপরিবারে দেশের বাইরে ঘুরতে গিয়ে দামি সব হোটেলে রাত কাটান। তাদের এই বিলাসী জীবনযাত্রার মান বৈধ আয়ের উৎসের সাথে কোনভাবেই সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সাবেক এক কর্মকর্তা বলেন, যদি কারও জীবনযাত্রা তার বৈধ আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হয়, তাহলে তা অনুসন্ধানের যৌক্তিক ভিত্তি তৈরি করে। প্রশাসনে জবাবদিহিতার অভাব থাকলে এই ধরনের অভিযোগ বারবার সামনে আসে। তবে প্রতিটি অভিযোগ নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা জরুরি।

কারিগরি সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন

ব্রীজ ক্লিয়ারেন্সের মতো গুরুত্বপূর্ণ কারিগরি বিষয়ে অদক্ষতা ও অস্বাভাবিক নির্ভরতার অভিযোগও এসেছে। এতে প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে প্রকৌশল বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের সিদ্ধান্তে অভিজ্ঞ প্রকৌশলীদের সম্পৃক্ততা জরুরি। অন্যথায় ভুল সিদ্ধান্তের ঝুঁকি থাকে।

এই ধরনের গুরুতর অভিযোগের ক্ষেত্রে তিনটি পদক্ষেপ জরুরি। এই পদক্ষেপগুলো হচ্ছে, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন, ডিজিটাল ট্র্যাকিং ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং দোষী প্রমাণিত হলে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

বিআইডব্লিউটিএ দেশের নৌপরিবহন ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা। তাই উল্লেখিত বিষয়সমূহ ঘিরে উত্থাপিত যে কোনও অভিযোগ প্রতিষ্ঠানটির ভাবমূর্তি ও জনআস্থার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। এটি শুধু আর্থিক অনিয়ম নয়, বরং নৌপথ ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করবে। একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও সময়োপযোগী তদন্তই পারে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করতে এবং জনআস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে।

ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পরও রহস্যজনক দায়মুক্তি

পতিত সরকারের পতনের পর দুর্নীতির দায়ে আওয়ামী চিহ্নিতদের কয়েকজনকে ওএসডি এবং বদলি করা হয়েছে। কিন্তু অতিরিক্ত পরিচালক আব্দুস সালাম ও টাইপিস্ট মাহে আলম আছেন বহাল তবিয়তে। সালাম নিজেও সুবিধা নিচ্ছেন এবং তার ক্যাশিয়ার ও শিষ্য মাহে আলমকেও সুবিধা দিচ্ছেন।

মাহে আলম ২০২৩ সালের ১০ নভেম্বর বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সহ-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন। এই সংগঠনটি পৃষ্ঠপোষকতায় ছিলেন শ্রমিক নেতা, সাবেক নৌমন্ত্রী শাজাহান খান। শীর্ষ এই দুর্নীতিবাজ (পলাতক) মন্ত্রীর ছত্রছায়ায় থেকে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে বিআইডব্লিউটিএ'তে টেন্ডার,নিয়োগ, বদলি সহ বিভিন্ন তদবিরের মাষ্টারমাইন্ড ছিলেন মাহে আলম। বিআইডব্লিউটিএ'তে এখনও আওয়ামী এই সিন্ডিকেটের দৌরাত্ব্যে কোনঠাসা সরকার দলীয়রা।

উত্থাপিত এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে অতিরিক্ত পরিচালক মোঃ আব্দুস সালাম ও টাইপিস্ট মাহে আলম এর সাথে একাধিকবার কল দেয়া এবং যোগাযোগ করার জন্য অফিসে গেলেও তাদের দেখা মিলেনি।

উল্লেখ্য, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উদযাপন উপলক্ষে লাখ লাখ টাকার বিল উত্থাপন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল উন্মোচন ও বঙ্গবন্ধু পরিষদের তালিকা সহ নানা খবর নিয়ে আগামী সংখ্যায় চমকপ্রদ তথ্যসম্বলিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদন পড়তে চোখ রাখুন দ্য ফিন্যান্স টুডে'তে


Editor & Publisher : Md. Motiur Rahman

Pritam-Zaman Tower, Level 03, Suite No: 401/A, 37/2 Bir Protik Gazi Dastagir Road, Purana Palton, Dhaka-1000
Cell : (+88) 01706 666 716, (+88) 01711 145 898, Phone: +88 02-41051180-81