06/06/2026
শাহীন আবদুল বারী | Published: 2026-06-06 15:45:13
বিএনপির চেয়ারম্যান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, যিনি সততা, দেশাত্মবোধ, মানবিকতা, মানবতা, নম্রতা, ভদ্রতা, ধৈর্য ও পরিকল্পনায় সরকারের প্রতিটি ক্ষেত্রে দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছেন। তারেক রহমানের মতো নিপুণ কারিগরের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে বাংলাদেশ। এমপি, প্রতিমন্ত্রী, মন্ত্রী ও উপদেষ্টা পরিষদ প্রধানমন্ত্রীর কাছে তাদের কাজের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে নিজ নিজ সংসদীয় আসনে জনগণের সেবা করছেন। যা প্রধানমন্ত্রী নিজেই পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষ দেখভাল বা তদারকি করছেন। সবার আমলনামা প্রধানমন্ত্রীর তহবিলে জমা পড়ছে। যে ভালো কাজ করছে, তার পুরুস্কার হয়তো ডান হাতেই দিবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আর যে নিজের আখের গোছাচ্ছে, তিনি হয়তো বাম হাতে আমলনামা পাবেন। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা আছে, ১৮০ দিন বা ছয় মাস পর প্রধানমন্ত্রী সংসদ সদস্যদের কাজের মূল্যায়ন করবেন। সেটাকে সামনে রেখে প্রত্যেক সংসদ সদস্য নিজ আসনে (এলাকা) পর্যাপ্ত পরিমাণে উন্নয়নমূল কর্মকাণ্ড ও জনগণের সেবায় নিয়োজিত রয়েছেন। পাশাপাশি গত সাড়ে ১৫ বছরে নির্যাতিত, নিপীড়িত ও জেল-জুলুমের শিকার নেতাকর্মীদের সুরক্ষা দিচ্ছেন এমপি মহোদয়গণ। তাদেরই একজন টাঙ্গাইল সদর আসনের সংসদ সদস্য মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে টাঙ্গাইল সদরবাসীর সদয় দৃষ্টি আকর্ষণঃ আপনার এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আশু হস্তক্ষেপে টাঙ্গাইল সদরে বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে মনোনয়ন দিয়েছিলেন। আমরা টাঙ্গাইলবাসী বিপুল ভোটে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছি। তিনিও নির্বাচনের আগে তার দেয়া প্রতিটি প্রতিশ্রুতি অক্ষরে অক্ষরে পালন করছেন। একমাত্র নেতা সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, যিনি টাঙ্গাইলের মানুষের জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন। হাল ধরেছেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির ভঙ্গর রাজনীতির। তিনি শক্ত হাতে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি নিয়ন্ত্রণ না করলে বিগত ১২ ফেব্রুয়ারী সংসদীয় নির্বাচনে টাঙ্গাইলের ৮টি আসনেই এর প্রভাব পড়তো। এটিও ছিলো সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর বড় চ্যালেঞ্জ। কেউ তাকে হিংসা বিদ্বেষে জড়াতে চাইলেও তিনি কখনো তা গায়ে মাখাননি।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি টাঙ্গাইল সদরবাসীকে উপহার দিয়েছেন আপনার সরকারের একজন প্রতিমন্ত্রী। টাংগাইল সদরের মানুষ এতে অনেক খুশি ও আনন্দিত। আপনিও (প্রধানমন্ত্রী) জেনে খুশি হবেন, বিগত ৩৬ বছর টাঙ্গাইল সদরবাসী মন্ত্রিত্বের স্বাদ থেকে বঞ্চিত ছিলো। কিন্তু আপনার মনোনীত মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু মাত্র তিন মাসে টাঙ্গাইল সদরের প্রতিটি বঞ্চিত মানুষের মুখে হাসি ফুটাতে সক্ষম হয়েছেন। তার দিন-রাত নিরলস পরিশ্রম ও প্রচেষ্টা এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে টাঙ্গাইল সদরের মানুষ। আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, মাদক প্রতিরোধ, কিশোর গ্যং নিষ্ক্রিয় এবং উন্নয়ন মূলক কাজে অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে টাঙ্গাইল শহরকে একটি পরিচ্ছন্ন শহরে রূপান্তরিত করার প্রয়াস চালাচ্ছেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনার প্রিয় সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর প্রতিটি সংগ্রাম ছিল টাঙ্গাইলে বিএনপির ভঙ্গর রাজনীতিকে প্রতিষ্ঠা করা। আওয়ামী ঘাটি টাঙ্গাইলে টুকুকে পরাজিত করতে অনেক ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। আপনি নির্বাচনের আগে টাঙ্গাইলে সফরে এসে টুকুর বিরুদ্ধে সকল মিথ্যা ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছিলেন। লাখো মানুষের কাছে পরিচয় করে দিয়েছিলেন "আমাদের টুকু"। মঞ্চে টুকুর প্রতিটি উত্থাপিত দাবি আপনি সহজ-সরল স্পর্শ ভাষায় জনসভায় ঘোষণা দিয়ে তার বিজয়কে অনেকটাই নিশ্চিত করেছিলেন। যার প্রতিফলন হিসেবে টাঙ্গাইল সদরের প্রতিজন মানুষ সুফল ভোগ করছে। আপনার দেয়া ঘোষণার প্রতিটি উন্নয়নমূলক কাজ সুলতান সালাউদ্দিন টুকু অক্ষরে অক্ষরে পালন করছেন। তিনি টাঙ্গাইল সদর বাসীর কাছে একজন সফল প্রতিমন্ত্রী।
নির্বাচনের আগে শেষ সমাবেশে জননেতা টুকু বলেছিলেন, "আমার এই জীবন টাঙ্গাইল সদরবাসীর জন্য উৎসর্গ করে দিলাম।” এটা ছিল টুকুর অন্তরের অঙ্গীকার, এটা কোনো রাজনৈতিক স্লোগান ছিল না, কোনো আবেগঘন মুহূর্তের বক্তব্যও ছিল না।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি বিপুল ভোটে জাতীয় সংসদের সদস্য হোন তিনি। ১৭ ফেব্রুয়ারী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টুকুকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেন।সরকারের একজন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উন্নয়নমূলক কাজ সহ সকল বিষয়ে যথাযথ ভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার উদ্দেশ্য একটাই, সেটা হলো তিনি টাঙ্গাইল সদরের একজন সেবক। টুকু উন্নয়নের যে পথচলা শুরু করেছেন, তা কেবল শুরু মাত্র। বেড়িবাঁধ, রাস্তা-ঘাট, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, কর্মসংস্থান, যুবসমাজের সম্ভাবনা এবং আধুনিক নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছেন। প্রতিটি অর্জনের পেছনে রয়েছে জনগণের আস্থা, ভালোবাসা, সহযোগিতা ও সহমর্মিতা। জনপ্রতিনিধিত্ব কোনো ক্ষমতার নাম না, এটা মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতার নাম। মানুষের সুখ-দুঃখের পাশে থাকা, তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবে রূপ দেওয়া।আগামী প্রজন্মের জন্য একটি উন্নত টাঙ্গাইল গড়ে তোলাই সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর রাজনীতির মূল লক্ষ্য। শ্রম, মেধা এবং সামর্থ্যের সর্বোচ্চটুকু টাঙ্গাইল সদরবাসীর কল্যাণে ব্যয় করছেন তিনি। যতদিন দায়িত্বে আছেন, ততদিন মানুষের জন্য কাজ করাই হচ্ছে টুকুর সবচেয়ে বড় পরিচয়। পদ-পদবি ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু মানুষের ভালোবাসা চিরস্থায়ী।
টুকু প্রধানমন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালী করতে জনগণের মাঝেই থাকতে চান। জনগণের জন্যই কাজ করে জীবন কাঁটাতে চান। টুকুর শ্লোগান হচ্ছে, "প্রধানমন্ত্রীর পাশে থাকুন, প্রধানমন্ত্রীকে সহযোগিতা করুন", "জনগণ বাঁচলে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।" তাই, তিনি মানুষের কল্যাণে নিরবে কাজ করে যাচ্ছেন। এটাই হলো তার পারিবারিক শিক্ষা।
টুকু শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত একজন সৈনিক। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পরীক্ষীত রাজপথের লড়াকু যোদ্ধা। পতিত সরকারের আমলে সাড়ে পনের বছরে জেল-জুলুমের শিকার হয়েছেন অসংখ্যবার। শেখ হাসিনা সরকার তাকে মেরে ফেলার পরিকল্পনাও করে ছিল।
ইদানিং বিভিন্ন মিডিয়া ও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল খবর হয়েছে যে, সরকারের মন্ত্রিপরিষদের আকার বড় হবে। প্রধানমন্ত্রী নিজেও ঘোষণা দিয়েছেন ১৮০ দিন পর সংসদ সদস্যদের কাজের মূল্যায়ন করবেন। যারা নিঃস্বার্থভাবে দেশের জনগণের জন্য কাজ করবে, তাদেরকে প্রধানমন্ত্রী মূল্যায়িত করবেন। তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে টাঙ্গাইল সদরবাসীর আকুল আবেদন, আমাদের প্রিয় অভিভাবক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী থেকে "পূর্ণ মন্ত্রী" ঘোষণা করবেন। সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে পূর্ণ মন্ত্রী করা হলে প্রধানমন্ত্রীর নিকট টাঙ্গাইল সদরের সর্বস্তরের মানুষ আজীবন কৃতজ্ঞ থাকবো।
Editor & Publisher : Md. Motiur Rahman
Pritam-Zaman Tower, Level 03, Suite No: 401/A, 37/2 Bir Protik Gazi Dastagir Road, Purana Palton, Dhaka-1000
Cell : (+88) 01706 666 716, (+88) 01711 145 898, Phone: +88 02-41051180-81