02/27/2026
শাহীন আবদুল বারী | Published: 2026-02-27 03:28:22
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন একজন ইসলামিস্ট। বাংলাদেশের একমাত্র প্রেসিডেন্ট, যিনি আরব নগরীতে নিম গাছ রোপণ করেছিলেন। তিনি মানুষের কলিজায় স্থান পেয়েছিলেন, সবাই তাকে আপন করে নিয়েছিলেন। সংবিধানে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম সংযোজন করেছিলেন।
দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়া সব সময় আলেমদের সম্মান করতেন। তিনি কখনো ইসলামবিদ্বেষী কথা বলতেন না। যতদিন বেঁচে ছিলেন আলেম ওয়ালামাদের নিয়েই সব করতেন। তার সংসদেও আলেমরা স্থান পেয়েছিলেন।
তারেক রহমান বাবা-মায়ের স্বপ্ন বাস্তবায়নে মহানবী (স.) এর আদর্শে দেশ গড়ার পরিকল্পনা করছেন। তিনি নিজের অফিস কক্ষে লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ এর (কালেমা) স্থাপন করেছেন। প্রধানমন্ত্রী হবার পর তাঁর কাজের ভূমিকা দেখে দেশের মানুষ আনন্দিত।
গত ১৭ ফেব্রুয়ারী মন্ত্রীপরিষদে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি শপথ নেয়ার প্রাক্কালে প্রথমেই দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠিন বার্তা দেন। গত ১৭ বছর লন্ডনে নির্বাসনে থেকে অনেক কিছুই দেখেছেন এবং শিখেছেন। সেই অভিজ্ঞতার আলোকে একটি সমৃদ্ধশীল দেশ গড়ার লক্ষ্যে তিনি প্রতিটি সেক্টরে হোম ওয়ার্ক করছেন। প্রয়োজনে একটি উপদেষ্টা কমিটির মাধ্যমে সবকিছু তদারকি করবেন বলেও জানিয়েছেন নিকটজনদের।
কোন দুর্নীতিবাজকে তিনি নিজের আশেপাশে রাখবেন না। এমপি, মন্ত্রী এবং আমলারা যাতে পতিত সরকারের ন্যায় বিদেশে টাকা পাচার করতে না পারেন সেই বিষয়ে কড়া নজরদারি ও সতর্কবার্তাও দিয়েছেন। তারেক রহমান দেশকে ঢেলে সাজাবেন। বাস্তবায়ন করবেন "আই হ্যাভ এ প্ল্যান"।
প্রধানমন্ত্রীর কাছে দেশের সর্বস্তরের মানুষের প্রত্যাশা, আওয়ামী লীগ দেশকে বিভক্ত করলেও তারেক রহমান অন্তত তা করবেন না। আওয়ামী লীগ সরকার ফ্যাসিস্ট হয়েছিল, জুলুম করেছিল। সেই কারণে লাঞ্চিত হয়েছে, বিতাড়িত হয়েছে, পালিয়েছে।
বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকারের কেউ যেন বিদেশে বাড়ি বানাতে না পারে, ফ্যাসিস্ট না হতে পারে, জনগণ যেন আবারও প্রতারিত না হয় সেজন্য দায়িত্বশীলদের সতর্ক থাকতে হবে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সবসময় বলতেন এই দেশই আমার ঠিকানা।
প্রধানমন্ত্রীর ডানে-বামে যারা আছেন, তাঁরা যেন তেলবাজি করতে না পারে সেই বিষয়ে সতর্ক রয়েছেন তারেক রহমান। কোনও কানকথাই শুনবেন না তিনি। বিরোধী দলের সমলোচনা শুনবেন। যদি তাদের দাবি সঠিক হয়, তা মেনে নিবেন। তবে হাসিনা সরকারের মতো যে ক্ষেপে যাবেন না সেটিও অনুমান করা গেছে।
পতিত সরকার যেভাবে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের পুলিশ দিয়ে নির্যাতন নিপীড়ন করতেন; সেই জঘন্যতম কাজ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান করবেন না। পতিত সরকারের আমলে পুলিশ এবং আদালতের মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিলো বিএনপির নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষ। একতরফা আইনের শাসন কায়েম করেছিল বিগত সরকার।
শেখ হাসিনার সরকার কি কি কারণে বিতাড়িত হয়েছে তা চিহ্নিত করে দুর্নীতি ও জুলুম কমানোও তারেক রহমানের অন্যতম প্রধান কাজ বলে মনে করেন বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষ। তাছাড়া অর্থনীতির বিষয়ে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে। দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতিকে টেনে তুলতে হবে তারেক রহমানকেই।
সাধারণ মানুষের মধ্যে আলোচনা হচ্ছে, তারেক রহমান বাবা-মায়ের কৌশলে দেশ পরিচালনা করবেন। হালেও তাই দেখা যাচ্ছে। নিজের গাড়িতে অফিসে যাতায়াত, সময়মতো অফিসে হাজিরা, কর্মকর্তা কর্মচারীদের সাথে সাবলীল ভাষায় আচরণ, রাস্তায় চলাচলে সাধারণ জনগণের কাতারে ছোট্ট গাড়িবহর এবং একজন কর্মচারীর ছেলে অপহরণের ঘটনা বাবার মুখে শোনামাত্রই পুলিশকে ফোন করে উদ্ধারের ব্যবস্থা করা, কৃষকের ঋণ মওকুফ, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের ঘোষণা, বিরোধী দলের নেতাদের বাসায় গিয়ে ফুলেল শুভেচ্ছাসহ অনেক কিছুতেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রশংসায় ভাসছেন।
মন্ত্রীপরিষদের মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রীরা নেতার আদর্শ ও নীতিকে ধারণ করে নিজেরাও নীতিবান হবেন এটাই মানুষের প্রত্যাশা। তাহলেই দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে। উপদেষ্টা পরিষদ এবং এমপিরাও যাতে নেতাকে অনুসরণ ও অনুকরণ করে তা প্রতিটি সংসদ সদস্য'র করণীয় হতে হবে।
ইতোমধ্যে একাধিক ক্ষমতাধর মন্ত্রীর বক্তব্য শুনে মানুষ কিছুটা বিব্রত ও সমালোচনার চেষ্টা করছে। ফেসবুক খুললে তো মনে হয় একটি অপশক্তি সরকারকে পারলে গদি থেকে নামিয়ে দিচ্ছে। আবার কিছু স্থানে চাঁদাবাজির ঘটনাও ঘটছে। রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ একটি বড় চ্যালেঞ্জ। কঠিন বাস্তবতা হচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খুব শক্ত হাতে, কৌশল অবলম্বন করে সব কিছুর খোঁজখবর রাখছেন। আগামী তিন মাসের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর নিরলস প্রচেষ্টার ফসল দেশবাসী প্রত্যক্ষ দেখবে এবং ভোগ করবেন। তারেক রহমানের এমন শাসন টিকে থাকলে মন্ত্রী, এমপি এবং আমলারাও দুর্নীতি বা অনিয়ম করে রেহাই পাবেনা। আস্তে আস্তে প্রতি টি সেক্টরে সুশাসনের ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনা প্রধানমন্ত্রীর চ্যালেঞ্জ বাস্তবায়ন হবে ইনশাআল্লাহ।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর বড় বার্তা হচ্ছে, রাজনীতিতে নেতারা কী প্রতিশ্রুতি দেন, তা দিয়ে নাগরিকেরা তাঁদের বিচার করেন না। তাঁরা বিচার করেন নেতারা কীভাবে জীবন যাপন করেন, কীভাবে আচরণ করেন এবং কীভাবে ক্ষমতা ব্যবহার করেন, তা দিয়ে।
১৭ ফেব্রুয়ারী দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে কয়েকটি প্রশাসনিক ও ব্যক্তিগত আচরণগত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, সেগুলো বাস্তবে পরিবর্তনের ইঙ্গিত। বহু বছরের ঘুণে ধরা শাসন সংস্কৃতি বদলে দেওয়ার একটি সুস্পষ্ট প্রচেষ্টারই ইঙ্গিত । দীর্ঘদিন ধরে রাষ্ট্র ও নাগরিকের দূরত্ব শুধু নীতিগত ব্যর্থতার কারণে বাড়েনি, ক্ষমতার দৃশ্যমান দাম্ভিকতা ও বৈষম্যের কারণেও বেড়েছে।
পতিত সরকার আমলে সাধারণ মানুষ দেখেছে মন্ত্রীরা দীর্ঘ গাড়িবহর নিয়ে চলাচল করেছেন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা সড়ক বন্ধ থাকছে, যানজটে অ্যাম্বুলেন্স আটকে গাড়িতেই মৃত্যু বরণ করেছে, শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা মিস করেছে, শ্রমিকেরা কাজের সময় হারিয়েছে। সরকারি সেবা দায়িত্বের চেয়ে সুবিধার প্রতীকে পরিণত হয়েছিল। এই বাস্তবতায় সংস্কার মানে কেবল নতুন নীতিমালা নয়, জনগণের আস্থা পুনর্গঠনের প্রশ্ন।
তারেক রহমানের নির্দেশনাগুলো সরাসরি এই সংস্কৃতিকে চ্যালেঞ্জ করেছে। তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, মন্ত্রীরা আর বিলাসবহুল সরকারি গাড়ি ব্যবহার করবেন না। তাঁরা সাধারণ সাদা টয়োটা গাড়িতে চলবেন এবং নিজেদের ব্যক্তিগত পরিবহনব্যবস্থাই ব্যবহার করবেন। সরকারি নিয়োগপ্রাপ্ত চালক বা সরকারি জ্বালানি তাঁরা ব্যবহার করবেন না। অর্থাৎ সরকারি পদ ব্যক্তিগত স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য নয়, জনসেবার জন্য।
ভিভিআইপি প্রটোকলেও বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর সীমিত থাকবে মাত্র চারটি গাড়িতে, যেখানে আগে ১২ থেকে ১৪টি গাড়ির বহর চলত। ভিভিআইপি চলাচলের সময় পুলিশ আর সড়ক বন্ধ করবে না। কোটি মানুষের কাছে এটি কোনো ছোট প্রশাসনিক পরিবর্তন নয়। এটি নাগরিক মর্যাদার পুনঃপ্রতিষ্ঠা। রাষ্ট্র নাগরিকের জীবন থামানোর জন্য নয়, তাদের জীবন সহজ করার জন্য।
সবচেয়ে প্রতীকী সিদ্ধান্তগুলোর একটি হলো জাতীয় পতাকা ব্যবহারের বিষয়ে। প্রধানমন্ত্রী তাঁর গাড়িতে কেবল রাষ্ট্রীয় অতিথি বা বিদেশি প্রধানদের সফরের সময় জাতীয় পতাকা ব্যবহার করবেন। নিয়মিত চলাচলে পতাকা থাকবে না। বার্তাটি স্পষ্ট। জাতীয় পতাকা ব্যক্তির নয়, জাতির।
প্রশাসনিক সংস্কারের দিকটিও লক্ষণীয়। অধিকাংশ মন্ত্রিসভা বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে নয়, সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এটি প্রশাসনকে ব্যক্তিকেন্দ্রিকতা থেকে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর দিকে ফিরিয়ে আনার ইঙ্গিত। যেটি পতিত সরকার করেনি বা করতে সক্ষম হয়নি।
একই সঙ্গে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রী শনিবারও কাজ করছেন। দীর্ঘসূত্রতা ও ফাইলজটের অভিযোগে ক্লান্ত প্রশাসনে এটি গতি আনার প্রতিশ্রুতি। সব মিলিয়ে এই সিদ্ধান্তগুলো নেতৃত্বের একটি নতুন সংজ্ঞা।
বাংলাদেশের মানুষ বহুদিন ধরে শুধু আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগই করেনি, ক্ষমতার অপব্যবহার নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। মন্ত্রী, এমপিরা ব্যক্তিগত আরামের জন্য সরকারি সম্পদ ব্যবহার, মর্যাদা প্রদর্শনের জন্য নিরাপত্তা বাহিনী ব্যবহার, এবং প্রশাসনিক ক্ষমতার প্রদর্শনী ধীরে ধীরে প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল করেছে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ক্ষোভ বেড়েছে। তারেক রহমানের প্রতিটি সিদ্ধান্তে তরুণ প্রজন্ম খুশি। তরুণরা দেখেছে রাষ্ট্র তাদের কাছ থেকে ত্যাগ চায়, কিন্তু ক্ষমতাধরদের জন্য বিশেষ সুবিধা নিশ্চিত করে।তারেক রহমানের প্রাথমিক পদক্ষেপগুলো একটি মৌলিক সত্যকে স্বীকার করে। দুর্নীতি শুধু অর্থ আত্মসাৎ নয়, ক্ষমতার অপব্যবহারও দুর্নীতি।
মোটরকেড কমানো, অযথা আনুষ্ঠানিকতা সীমিত করা, বিলাসী সুবিধা বর্জন, এবং নাগরিক জীবনে বিঘ্ন কমানোর মাধ্যমে সরকার একটি বার্তা দিচ্ছে যে, ক্ষমতার অপব্যবহার বরদাশত করা হবে না।
রাষ্ট্রীয় ব্যয়ের দিক থেকে এগুলোর আর্থিক মূল্য হয়তো সীমিত, কিন্তু নৈতিক মূল্য অত্যন্ত বড়। কারণ, এগুলো একটি মানদণ্ড স্থাপন করে। নেতাদের নাগরিকদের মতোই জীবন যাপন করতে হবে। এই পদক্ষেপগুলো ২০২৪ সালের জুলাইয়ের তরুণ আন্দোলনের আকাঙ্ক্ষাকেও প্রতিফলিত করে। তরুণেরা শুধু রাজনৈতিক পরিবর্তন চায়নি। তারা চেয়েছিল ন্যায়, মর্যাদা এবং বৈষম্যহীন রাষ্ট্র। তারা একটি আধুনিক রাষ্ট্র চায়, সামন্ততান্ত্রিক রাষ্ট্র নয়। এমন একটি সরকার, যা তাদের সময়, চলাচল এবং ভবিষ্যৎকে সম্মান করে।
রাজনৈতিক বৈধতা শুধু নির্বাচনে জয়ের ওপর নির্ভর করে না। তা নির্ভর করে ক্ষমতায় থাকাকালীন আচরণের ওপর। নাগরিকেরা এখন নেতৃত্বকে বিচার করে তাদের দৈনন্দিন অভিজ্ঞতার মাধ্যমে; রাস্তা, হাসপাতাল, স্কুল ও সেবাপ্রাপ্তির বাস্তবতার মাধ্যমে। যখন একজন নেতার গাড়িবহর কোনো শ্রমিককে কারখানায় পৌঁছাতে বাধা দেয় না, বা কোনো অ্যাম্বুলেন্সকে আটকে রাখে না, তখন শাসনব্যবস্থা বাস্তব হয়ে ওঠে।
তারেক রহমানের এই সংস্কার যদি ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়িত হয় এবং আমলাতন্ত্রে বিস্তৃত করা যায়, তাহলে সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতি আস্থা পুনর্গঠনের পথ খুলবে।
একটি জাতি শুধু বড় প্রকল্পে গড়ে ওঠে না, দৈনন্দিন চর্চায় গড়ে ওঠে। ছোট গাড়িবহর, খোলা রাস্তা, সাধারণ গাড়ি এবং কর্মমুখী সপ্তাহান্তের মতো সিদ্ধান্তই বড় বার্তা দেয়। নেতৃত্ব জনগণের মতোই নিয়মের অধীন। এই দৃষ্টান্ত বজায় থাকলে বাংলাদেশ শুধু প্রবৃদ্ধি অর্জন করবে না, প্রতিষ্ঠানগতভাবে শক্তিশালী হবে। আর সেটিই তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি আধুনিক, অগ্রসর ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রের প্রকৃত ভিত্তি।
সংযমী মন্ত্রী, নিয়মমাফিক প্রশাসন, এবং নাগরিকের মতোই কষ্ট ভাগ করা নেতৃত্বই আধুনিক শাসনের ভিত্তি। অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য বিনিয়োগ দরকার, কিন্তু প্রাতিষ্ঠানিক আস্থার জন্য দরকার উদাহরণ।
অবশ্যই প্রতীকী পদক্ষেপ দিয়ে সব সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। কর্মসংস্থান, মূল্যস্ফীতি, জ্বালানি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। তবে ইতিহাস বলে, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার প্রায়ই শুরু হয় নেতৃত্বের আচরণগত পরিবর্তন দিয়ে। শীর্ষ নেতৃত্ব নিজেদের আচরণ বদলালে পুরো ব্যবস্থার ওপর শৃঙ্খলা দাবি করা সহজ হয়।
তারেক রহমানের সিদ্ধান্তগুলোর তাৎপর্য এখানেই। সরকারি পদ মর্যাদার নয়, সেবার। এই ধারা অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশ শুধু অর্থনৈতিকভাবে নয়, প্রাতিষ্ঠানিকভাবেও এগিয়ে যাবে। দেশীয় নাগরিক, বিনিয়োগকারী ও আন্তর্জাতিক অঙ্গন সবখানেই এটি একটি বার্তা দিচ্ছে, যে বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থা জবাবদিহি ও পূর্বানুমেয়তার দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
Editor & Publisher : Md. Motiur Rahman
Pritam-Zaman Tower, Level 03, Suite No: 401/A, 37/2 Bir Protik Gazi Dastagir Road, Purana Palton, Dhaka-1000
Cell : (+88) 01706 666 716, (+88) 01711 145 898, Phone: +88 02-41051180-81