03/05/2026
নিজস্ব প্রতিবেদক | Published: 2026-03-05 13:09:18
আসন্ন পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দে কৃষিখাতে এক যুগান্তকারী অধ্যায়ের সূচনা করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করবেন বলে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যেখানে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী এই কার্ডকে কৃষকের মর্যাদা ও নিরাপত্তার প্রতীক হিসেবে অভিহিত করেছেন। অর্থ সচিবের নেতৃত্বে গঠিত চার সদস্যের শক্তিশালী সচিব কমিটির তত্ত্বাবধানে বাস্তবায়িত হতে যাওয়া এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের সরাসরি সরকারি সহায়তার আওতায় আনা, যার মাধ্যমে তাঁরা ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, সহজ শর্তে ঋণ, সরকারি ভর্তুকি এবং কৃষি বীমার মতো অত্যাবশ্যকীয় সুবিধা সরাসরি ভোগ করতে পারবেন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্পের প্রাথমিক ধাপে ৪৫ দিনের মধ্যে সারা দেশের কৃষকদের তথ্য সংগ্রহ করা হবে এবং প্রাক-পাইলট পর্যায়ে টাঙ্গাইল সদর, বগুড়ার শিবগঞ্জ ও কক্সবাজারের টেকনাফসহ দেশের আটটি বিভাগের নয়টি নির্বাচিত উপজেলায় এর কার্যক্রম শুরু হবে। শুধুমাত্র শস্য চাষি নয়, বরং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খামারিদেরও এই ডিজিটাল কার্ডের আওতায় এনে তাঁদের আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও বাজার তথ্যের মতো আধুনিক সেবা প্রদান করা হবে, যেখানে প্রতিটি প্রান্তিক কৃষক গড়ে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে সরাসরি আর্থিক সহায়তা পাবেন। সরকারের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই পরীক্ষামূলক পর্যায় শেষে আগামী চার বছরের মধ্যে সারা দেশের প্রতিটি উপজেলায় ‘কৃষক কার্ড’ পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করার মাধ্যমে কৃষি ব্যবস্থায় একটি বৈপ্লবিক ও ডিজিটাল পরিবর্তন আনার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যেখানে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী এই কার্ডকে কৃষকের মর্যাদা ও নিরাপত্তার প্রতীক হিসেবে অভিহিত করেছেন।
অর্থ সচিবের নেতৃত্বে গঠিত চার সদস্যের শক্তিশালী সচিব কমিটির তত্ত্বাবধানে বাস্তবায়িত হতে যাওয়া এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের সরাসরি সরকারি সহায়তার আওতায় আনা, যার মাধ্যমে তাঁরা ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, সহজ শর্তে ঋণ, সরকারি ভর্তুকি এবং কৃষি বীমার মতো অত্যাবশ্যকীয় সুবিধা সরাসরি ভোগ করতে পারবেন।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্পের প্রাথমিক ধাপে ৪৫ দিনের মধ্যে সারা দেশের কৃষকদের তথ্য সংগ্রহ করা হবে এবং প্রাক-পাইলট পর্যায়ে টাঙ্গাইল সদর, বগুড়ার শিবগঞ্জ ও কক্সবাজারের টেকনাফসহ দেশের আটটি বিভাগের নয়টি নির্বাচিত উপজেলায় এর কার্যক্রম শুরু হবে।
শুধুমাত্র শস্য চাষি নয়, বরং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খামারিদেরও এই ডিজিটাল কার্ডের আওতায় এনে তাঁদের আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও বাজার তথ্যের মতো আধুনিক সেবা প্রদান করা হবে, যেখানে প্রতিটি প্রান্তিক কৃষক গড়ে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে সরাসরি আর্থিক সহায়তা পাবেন। সরকারের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই পরীক্ষামূলক পর্যায় শেষে আগামী চার বছরের মধ্যে সারা দেশের প্রতিটি উপজেলায় ‘কৃষক কার্ড’ পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করার মাধ্যমে কৃষি ব্যবস্থায় একটি বৈপ্লবিক ও ডিজিটাল পরিবর্তন আনার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে।
Editor & Publisher : Md. Motiur Rahman
Pritam-Zaman Tower, Level 03, Suite No: 401/A, 37/2 Bir Protik Gazi Dastagir Road, Purana Palton, Dhaka-1000
Cell : (+88) 01706 666 716, (+88) 01711 145 898, Phone: +88 02-41051180-81