32276

03/18/2026

প্রধানমন্ত্রীর ২৮ দিনে ২৮ কর্মযজ্ঞ

শাহীন আবদুল বারী | Published: 2026-03-18 02:04:09

সদ্যসমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বিজয়ী হয়ে সরকার গঠনের পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ২৮ দিনের ২৮ পদক্ষেপের কথা জানিয়ে একে ‘এক অভূতপূর্ব কর্মযজ্ঞ’ বলে উল্লেখ করেছেন তার উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকালে নিজের ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে প্রধানমন্ত্রীর ২৮ পদক্ষেপের কথা তিনি তুলে ধরেন।

মাহদী আমিন বলেন, আজ ১৭ মার্চ। ঠিক এক মাস আগে, জনগণের ভোটে নির্বাচিত মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠন করে। মাত্র ২৮ দিনে, রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি মুহূর্তে তিনি নির্বাচনী অঙ্গীকার পূরণে নিরলসভাবে কাজ করেছেন। এই পদক্ষেপগুলো শুধু প্রশাসনিক কার্যক্রমই ছিলো না বরং এটি জনগণের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর দায়বদ্ধতার স্পষ্ট প্রতিফলন।

স্ট্যাটাসে তিনি সরকারের ২৮ দিনে নেয়া পদক্ষেপসমূহ তুলে ধরে বলেন, এসব পদক্ষেপ সামাজিক সুরক্ষা, অর্থনীতি, প্রশাসন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় মূল্যবোধের প্রতিটি অঙ্গনকে আলোকিত করেছে।

মাহদী আমিনের ফেসবুক স্ট্যাটাসে লেখা প্রধানমন্ত্রীর ২৮ দিনের ২৮ পদক্ষেপ নিম্নে হুবহ তুলে ধরা হলো।

সামাজিক সুরক্ষা ও মানবিক সহায়তা

১. ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি— নির্বাচনী ইশতেহারের প্রধান প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সরকার ৩৭ হাজার ৫৬৭ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হয়েছে, প্রতিটি কার্ডে মাসিক ২৫০০ টাকা সহায়তা দেয়া হচ্ছে। মাত্র ২১ দিনে এতো বড় একটি প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন সরকারের মানবিক অগ্রাধিকারের উদাহরণ।

২. ইমাম, মুয়াজ্জিন ও ধর্মীয় সেবকদের সম্মানী— ৪,৯০৮ মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন, ৯৯০ মন্দিরের পুরোহিত, ১৪৪ বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ এবং ৩৯৬ গির্জার যাজক ও পালকরা মাসিক সম্মানী পাচ্ছেন।

৩. ঈদে ত্রাণ ও উপহার বিতরণ— নির্বাচনী এলাকার অসহায় ও গরীবদের জন্য শাড়ি, থ্রী-পিস ও হাজি রুমাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। সকল পরিচ্ছন্নতা কর্মীর জন্যও ঈদ উপহার হিসেবে এগুলো দেয়া হয়েছে।

৪. প্রাতিষ্ঠানিক জাকাত ব্যবস্থা— দরিদ্রদের কাছে সম্পদ পৌঁছানো ও কল্যাণমূলক কার্যক্রমে সহায়তার জন্য আলেম মাশায়েখদের সাথে আলোচনার প্রেক্ষিতে প্রাতিষ্ঠানিক জাকাত ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ।

কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতি

৫. কৃষক কার্ড ও কৃষিঋণ মওকুফ— প্রায় ২৭,০০০ কৃষককে বহুলপ্রত্যাশিত কৃষক কার্ড প্রদানের মাধ্যমে শিগগিরই কার্যক্রম শুরু, প্রায় ১২ লাখ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ মওকুফ, নতুন উদ্যমে চাষাবাদে সহায়তা।

৬. দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচি— ২০,০০০ কিলোমিটার খাল ও জলাশয় খনন, ইতোমধ্যে ৫৪ জেলায় শুরু। সেচ উন্নত হবে, জলাবদ্ধতা কমবে, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে।

প্রশাসনিক সংস্কার ও সুশাসন

৭. সাপ্তাহিক অফিস ও অফিস সময়— প্রধানমন্ত্রী শনিবারও অফিস করছেন; কর্মকর্তাদের সকাল ৯টার মধ্যে উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।

৮. ভিভিআইপি প্রটোকল হ্রাস— প্রধানমন্ত্রীর অতি সাধারণ চলাফেরায় ট্রাফিক ব্যবস্থায় নজিরবিহীন পরিবর্তন, জনগণও ট্রাফিক আইন মেনে চলতে উৎসাহিত।

৯. বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকতা সীমিত— উপস্থিত থাকবেন একজন জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী, চিফ হুইপ, মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব।

১০. এমপিদের বিশেষ সুবিধা বাতিল— শুল্কমুক্ত গাড়ি ও সরকারি প্লট গ্রহণ না করার ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত, যার ফলে রাষ্ট্রীয় ব্যয় কমবে, জনগণের আস্থা পুনঃস্থাপিত হবে।

অর্থনীতি ও বাজার স্থিতিশীলতা

১১. বাজার মনিটরিং ও জ্বালানি স্থিতিশীলতা— রমজান ও ঈদে মূল্যবৃদ্ধি রোধ, বৈশ্বিক জ্বালানি অস্থিতিশীলতার মাঝেও বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল রাখতে স্পট এলএনজি ক্রয়।

১২. বিদেশি বিনিয়োগ সহজীকরণ— ১০০ কোটি টাকা পর্যন্ত বিদেশি বিনিয়োগ প্রত্যাবাসনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পূর্বানুমোদনের বাধ্যবাধকতা তুলে দেওয়া।

১৩. শ্রমিকদের বেতন ও বোনাস নিশ্চিতকরণ— সব শিল্পকারখানার শ্রমিকদের বকেয়া বেতন ও ঈদ বোনাস সময়মতো পরিশোধ। পোশাকসহ রপ্তানিমুখী শিল্পে ২,৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ।

১৪. রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প প্রতিষ্ঠান পুনরায় চালু— পর্যায়ক্রমে সরকারি মালিকানাধীন বন্ধ কারখানা ও শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো চালু করে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি।

১৫. স্থানীয় উদ্যোগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি— স্বল্প ব্যবহৃত ইকোনমিক জোন, ইপিজেড, বিসিক এলাকা, হাই-টেক পার্ক ও ইন্ডাস্ট্রি ক্লাস্টারের তালিকা প্রস্তুত করে সেখানে সম্ভাবনাময় ব্যবসা ও স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ইকোসিস্টেম তৈরি শুরু।

শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন

১৬. পুনর্ভর্তি ফি বাতিল ও লটারি বাতিল— সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রতি বছর পুনরায় ভর্তি ফি বাতিল; লটারির পরিবর্তে আধুনিক ভর্তি পরীক্ষা বা সাক্ষাৎকার, শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত।

১৭. বিদেশে উচ্চশিক্ষায় সহায়তা— রাষ্ট্রীয় অর্থনৈতিক সহায়তায় সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা জামানতবিহীন ব্যাংক গ্যারান্টি।

১৮. ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ— ৯,০০০ শিক্ষক নিয়োগ, নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধ জোরদার।

১৯. ক্রীড়া উন্নয়ন ও নতুন কুঁড়ি কর্মসূচি— শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠ শিশু-কিশোরদের জন্য উন্মুক্ত; নতুন কুঁড়ি সংস্কৃতি, ক্রীড়া ও কোরআন তেলাওয়াত উদ্যোগ; উপজেলা পর্যায়ে ৬টি খেলায় ৩ জন করে মোট ১৮ জন ক্রীড়া শিক্ষক নিয়োগ শুরু।

স্বাস্থ্য ও জনকল্যাণ

২০. ই-হেলথ কার্ড ও চিকিৎসা কেন্দ্র— স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছাতে ই-হেলথ কার্ড চালু; ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ শুরু যার ৮০ ভাগ হবেন নারী।

২১. ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযান— সাপ্তাহিক জাতীয় পরিচ্ছন্নতা অভিযান; স্থানীয় প্রশাসন ও কমিউনিটি সমন্বয়ে কার্যক্রম।

আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা

২২. চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা— গোয়েন্দা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছে, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।

২৩. নারীর নিরাপত্তা ও পিংক বাস— সম্পূর্ণ নারী পরিচালিত পিংক বাস চালুর নির্দেশ; সাইবার বুলিং প্রতিরোধ।

রাষ্ট্রীয় শৃঙ্খলা ও মূল্যবোধ

২৪. রাষ্ট্রীয় ইফতার সীমিতকরণ ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়— সরকারি অফিসে অর্ধেক ফ্যান ও এসি; অপচয় রোধে ইফতার সীমিত।

২৫. অবৈধ দোকান উচ্ছেদ— কক্সবাজার সুগন্ধা সি বিচে ২০ বছর পরে অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ এবং দেশজুড়ে সমন্বিত উদ্যোগ।

২৬. শহীদ সেনা দিবস— ২৫ ফেব্রুয়ারি ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ ঘোষণা ও পালনের পাশাপাশি পিলখানা হত্যাকাণ্ডের স্বচ্ছ বিচারে গুরুত্বারোপ।

২৭. ঢাকা হয়রত শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল— উচ্চপর্যায়ের সভার মাধ্যমে এবং বহুপাক্ষিক আলোচনা ও কর্মকৌশল ঠিক করে দ্রুত তৃতীয় টার্মিনাল চালুর উদ্যোগ।

২৮. বিমানবন্দর ও চলন্ত ট্রেনে ফ্রি ইন্টারনেট— ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটে শাহজালাল, শাহ আমানত ও এম এ জি ওসমানী বিমানবন্দরে উন্নত দেশের মতো ফ্রি ওয়াইফাই ব্যবস্থার নির্দেশ ও সৈয়দপুর বিমানবন্দরে উদ্বোধন।

এই স্ট্যাটাসের শেষদিকে মাহদী আমিন বলেন, সরকার গঠনের প্রথম ২৮ দিনে নেওয়া পদক্ষেপগুলো তারেক রহমানের দৃঢ় নেতৃত্ব, অক্লান্ত পরিশ্রম এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতার প্রতিফলন। তার নেতৃত্ব এভাবেই সাধারণ মানুষের আশা ও অনুভূতিকে ধারণ করছে, স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবায়ন করছে। অভূতপূর্ব এই পথযাত্রায় তারেক রহমানের গৃহীত এই পদক্ষেপসমূহ নতুন প্রজন্মকে দেশের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করবে, ইনশাআল্লাহ। তাই তো তিনি (প্রধানমন্ত্রী) বলেন, ‘সবাই মিলে করবো কাজ, গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।’

এদিকে, গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু দেশের জনগণকে সরকারের প্রতি আস্থা রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ পরিচালনায় আমরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছি। তাই, বিএনপি সরকারের প্রতি আপনারা আস্থা রাখুন।

গত ২৮ দিনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গৃহীত এসব পদক্ষেপের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী টুকু এই প্রতিবেদককে বলেন, নির্বাচনী ইশতেহারে জনগণের প্রতি বিএনপির প্রতিশ্রুত প্রতিটি ওয়াদা সরকার অবশ্যই পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করবে। এসব কর্মসূচি যাতে সঠিকভাবে এবং কোনও ধরনের দুর্নীতি, অনিয়ম এবং ক্ষমতার অপব্যবহার ব্যতীত সম্পন্ন করা যায় সেজন্য সরকার জাতির বিবেক খ্যাত সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে অত্যন্ত উদার ও ইতিবাচক ভূমিকা পালন করছে। এক্ষেত্রে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ সরকার মোটেও মেনে নিবে না। সাংবাদিকরা সম্পূর্ণ স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।

প্রতিমন্ত্রী দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, দেশের উন্নয়ন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখা এবং সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষায় গণমাধ্যমের গঠনমূলক ও ইতিবাচক ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যভিত্তিক সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সাংবাদিকরা জাতি গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবেন।

সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক উদ্যোগ তুলে ধরে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, জনগণের সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী যেসকল প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, সেগুলোর বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ চলছে।

উল্লেখ্য, মাহদী আমিন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র একজন প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ। তিনি পার্টি চেয়ারম্যানের শিক্ষা ও গবেষণা বিষয়ক উপদেষ্টা। সদ্যসমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন।

সম্প্রতি, গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় উপদেষ্টা পদে মাহদী আমিনকে দায়িত্বভার অর্পণ করেছেন।

অন্যদিকে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকার গঠন করার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মন্ত্রীসভায় বড় চমক হিসেবে প্রথমবার নির্বাচিত হয়েই তিনটি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। পরবর্তীতে, যথাযথ তদারকি এবং কার্যক্রমে গতিশীলতা আনতে টুকুকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেন তারেক রহমান।

বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের শাসনামলে অবর্ণনীয় নির্যাতন-নিপীড়ন, হামলা-মামলা, কারাভোগ এমনকি লোভনীয় অনেক প্রস্তাব দেয়া সত্বেও জিয়া পরিবার ও বিএনপির প্রতি শতভাগ আনুগত্য থেকে টুকুকে একবিন্দুও টলানো যায়নি। দলের প্রতি তার অসংখ্য ত্যাগ, নিষ্ঠা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই টুকুকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে মনে করেন বিএনপির অধিকাংশ নেতাকর্মী এবং সচেতন মহল।

নিজ নেতৃত্বগুন, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং কর্মীবান্ধব নেতা হিসেবে সর্বত্র পরিচিত সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ২০০৯ সালে ছাত্রদলের সভাপতি, ২০১৭ সালে যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এবং ২০২২ সালে যুবদলের সভাপতি নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে, তিনি ২০২৪ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে অদ্যাবধি দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।


Editor & Publisher : Md. Motiur Rahman

Pritam-Zaman Tower, Level 03, Suite No: 401/A, 37/2 Bir Protik Gazi Dastagir Road, Purana Palton, Dhaka-1000
Cell : (+88) 01706 666 716, (+88) 01711 145 898, Phone: +88 02-41051180-81