আজ চালু হচ্ছে দেশের প্রথম প্রবেশ-নিয়ন্ত্রিত এক্সপ্রেসওয়ে
দেশের প্রথম প্রবেশ নিয়ন্ত্রিত এক্সপ্রেসওয়েতে ঢাকা থেকে মাওয়া যেতে এখন সময় লাগছে মাত্র আধা ঘণ্টা।
আজ চালু হচ্ছে দেশের প্রথম প্রবেশ নিয়ন্ত্রিত ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে। পদ্মা সেতু চালুর আগেই এর সংযোগ সড়কের উপকার পাচ্ছেন প্রকল্প এলাকার মানুষ।
দেশের প্রথম প্রবেশ নিয়ন্ত্রিত এক্সপ্রেসওয়েতে ঢাকা থেকে মাওয়া যেতে এখন সময় লাগছে মাত্র আধা ঘণ্টা।
আধুনিক 'ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা' সমৃদ্ধ ছয় লেনের এ মহাসড়কটি আজ বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
আগে মেয়র হানিফ ফ্লাইওভার থেকে নেমে, ধোলাইপাড় আর পোস্তগোলা পার হতে সময় লাগতো প্রায় দুই ঘণ্টা, সেই সময়েরও অর্ধেকের কমে এখন পৌঁছে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে একেবারে মাওয়া পর্যন্ত।
এর আগে ফরিদপুর থেকে মাদারীপুর পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়ের ২০ কিলোমিটার নির্মাণ সম্পন্ন হওয়ায় তার সুফল পাচ্ছিলো মানুষ। এবার মাওয়া অংশের ৩৫ কিলোমিটার কাজ শেষে আমূল পাল্টে যাচ্ছে পুরো দৃশ্যপট।
আগামী ২০ বছরের গাড়ির চাপ মাথায় রেখে ডিজাইন করা এই সড়কটি, দুটি সার্ভিস লেনসহ মোট ছয় লেনের। এতে রয়েছে ৪টি ফ্লাইওভার, ৪টি রেলওয়ে ওভারব্রিজ, ৪টি বড় ব্রিজ, ১৯টি আন্ডারপাসসহ বিশ্বমানের সব নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে এই প্রকল্পের নির্মাণকাজ করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর স্পেশাল ওয়ার্কস অর্গানাইজেশন বা এসডাব্লিউও (পশ্চিম)। প্রকল্পে সব মিলিয়ে ব্যয় হচ্ছে ১১ হাজার তিন কোটি ৯১ লাখ টাকা।
রাজধানী ঢাকার যাত্রাবাড়ী মেয়র হানিফ ফ্লাইওভার থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত ৫৫ কিলোমিটার এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছিল ২০১৬ সালের জুলাই মাসে।
২০১৯ সালের জুনের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল এই প্রকল্পের। পদ্মার ওপার থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার সড়কের নির্মাণ কাজ আগেই শেষ হয়ে গিয়েছিল। বাকি ছিল ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে মাওয়া পর্যন্ত ৩৫ কিলোমিটার অংশের কাজ। সময় এবং ব্যয় বেড়ে শেষ পর্যন্ত চলতি মাসে এসে শেষ হলো এর কাজ।
দেশের সবচেয়ে দ্রুতগতির এ মহাসড়কটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী, জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
তিনি বলেন, এটা অত্যন্ত সুন্দর একটা সড়ক। আমার মনে হয় এক্সপ্রেসওয়ে ইউরোপের অনেক সুন্দর সুন্দর সড়ককেও হার মানাবে।
Shamiur Rahman
