June 24, 2024, 2:06 am


বিশেষ প্রতিবেদক

Published:
2024-05-22 06:47:43 BdST

স্বদেশ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সে প্রশাসক নিয়োগ


সাবেক অতিরিক্ত সচিব এস কে মো. রেজাউল ইসলামকে স্বদেশ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোম্পানিটিতে মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগ না দেয়ায় মঙ্গলবার (২১ মে) এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। সোমবার (২০ মে) এ সংক্রান্ত একটি আদেশ জারি করে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

কর্তৃপক্ষের পরিচালক আহম্মদ এহসান উল-হান্নান স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত চিঠিতে বলা হয়েছে, বীমা আইন ২০১০ এর ৮০(৪) ধারার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন করায় স্বদেশ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে আইনের ৮০(৫) ধারা মোতাবেক প্রশাসক নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।

বীমা নিয়ন্ত্রক সংস্থার জারি করা চিঠিতে বলা হয়েছে, স্বদেশ ইসলামী লাইফ পাঁচ মাসের বেশি সময় ধরে কোম্পানির সিইও পদ শূন্য রেখে বীমা আইন-২০১০ এর ৮০ (৪) ধারা লঙ্ঘন করেছে।

বীমা আইন-২০১০ এর ৮০(৪) ধারায় বলা হয়েছে, কোনও বীমা কোম্পানির প্রধান নির্বাহী পদ একটানা তিন মাসের বেশি খালি রাখা যাবে না।

এ প্রসঙ্গে আইডিআরএ'র মুখপাত্র জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সিইওর অনুপস্থিতি কোম্পানির প্রশাসনিক কাজকে বাধাগ্রস্ত করছে, এই কারণে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, একটি কোম্পানির সার্বিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য একজন প্রশাসক নিয়োগ করা হয়।

এই প্রশাসক নিয়োগের ক্ষেত্রে ৬টি শর্ত আরোপ করেছে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)।

প্রশাসক কোম্পানি থেকে মাসিক সর্বসাকুল্যে ২ লাখ টাকা বেতন প্রাপ্ত হবেন; তার সার্বক্ষণিক ব্যবহারের জন্য ১টি গাড়ি (ড্রাইভারসহ), জ্বালানী ও গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণের প্রকৃত খরচ কোম্পানি বহন করবে। তাছাড়া তিনি সর্বমোট বেতনের ৬০% হারে দু’টি উৎসব ভাতা, মাসিক মোবাইল বিল ও কোম্পানির প্রয়োজনে ভ্রমণের ক্ষেত্রে টিএ/ডিএ বিল প্রাপ্ত হবেন।

প্রশাসকের বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধাদির ওপর প্রদেয় আয়কর প্রশাসক নিজেই বহন করবেন; প্রশাসক বীমা আইন ২০১০ অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করবেন এবং সময় সময় কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবেন।

প্রশাসক যেকোন সময় বীমা ব্যবসা পরিচালনার পদ্ধতি বা ব্যবস্থাপনা পরিচালনাকালে উদ্ভুত যেকোন বিষয়ে কর্তৃপক্ষের নির্দেশনার জন্য আবেদন করতে পারবেন; এবং কোম্পানির ব্যাংক হিসাবসমূহ পরিচালনায় প্রশাসক ও অন্য যেকোন একজন কর্মকর্তার যৌথ স্বাক্ষরে পরিচালিত হবে।  

উল্লেখ্য, বীমা আইন ২০১০ এর ৮০ ধারার ৪ ও ৫ উপ-ধারায় বলা হয়েছে, বীমা কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তার পদ একাধারে ৩ মাসের অধিক সময়ের জন্য শূন্য রাখা যাবে না। তবে শর্ত থাকে যে, কর্তৃপক্ষ অপরিহার্য পরিস্থিতি বিবেচনায় উক্ত সময় সীমা আরো ৩ মাস বর্ধিত করতে পারবে৷

উপ-ধারা (৪) এ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোন বীমা কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তার পদ পূরণ করা না হলে কর্তৃপক্ষ কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্ব পালনের জন্য একজন প্রশাসক নিয়োগ করতে পারবে। এক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষ যেরূপ নির্ধারণ করবে কোম্পানি তদানুযায়ী উক্ত প্রশাসকের বেতন ও অন্যান্য সুবিধাদির যাবতীয় ব্যয় নির্বাহ করবে৷

Unauthorized use or reproduction of The Finance Today content for commercial purposes is strictly prohibited.


Popular Article from FT বাংলা