নজরদারিতে ‘এক ডজন’ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বড় বড় কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। এই সমস্ত কর্মকর্তারা আবজাল, মালেকদেরকে বাহন হিসেবে ব্যবহার করেছে
শুধু ড্রাইভার বা অফিস সহকারী নয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বর্তমান এবং প্রাক্তন প্রায় এক ডজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা দুনীতি দমন কমিশনের (দুদক) নজরদারিতে রয়েছে।
তাদের বিরুদ্ধে অবৈধ পন্থায় অর্থ উপার্জন, অনিয়ম ও দুর্নীতির নানা রকম অভিযোগ উঠেছে। সেইসাথে এই সমস্ত দুর্নীতি ও লুটপাটের মাধ্যমে তারা বিপুল পরিমাণ বিত্ত বৈভবের মালিক হয়েছে, বলে জানা গেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ড্রাইভার মালেক ও অফিস সহায়ক আবজালের দুর্নীতি মানুষের মুখে মুখে আলোচিত হচ্ছে।
দুর্নীতি দমন কমিশনের একাধিক কর্মকর্তা বলছে, ড্রাইভার বা অফিস সহায়ক এতোটা দুর্বিনীত হয়ে উঠতে পারে না। যদি না তাদের পেছনে পৃষ্ঠপোষকতা না থাকে।
দুদকের ঊর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তা জানায়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বড় বড় কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। এই সমস্ত কর্মকর্তারা আবজাল, মালেকদেরকে বাহন হিসেবে ব্যবহার করেছে।
জানা গেছে, এখন কেবল আবজাল মালেকদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। বরং এই ধরণের দুর্নীতির মূল মদদদাতা এবং তাদের পৃষ্ঠপোষকতাকারীদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই বিবেচনায় স্বাস্থ্য খাতের বর্তমান ও সাবেক ‘এক ডজন’ কর্মকর্তার বিষয়ে অনুসন্ধান করা হবে বলে নিশ্চিত করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। আর এই ১২ জন কর্মকর্তা এখন দুদকের নজরদারির মধ্যে রয়েছে।
Shamiur Rahman
