মাগুরায় যুবদল নেতা সাকের হত্যা মামলায় দুইজন গ্রেপ্তার
Staff Correspondent
Published: 22 October 2026 9:01 PM
Staff Correspondent
Published: 22 October 2026 9:01 PM
রনি শিকদার ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের নেতা এবং শামীমা মাগুরা জেলা জজ আদালতের একজন আইনজীবীর বোন
মাগুরা বাস টার্মিনালে রয়েল কাউন্টারে ঢুকে যুবদল নেতা সাকের হোসেনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার দুজন হলেন রনি শিকদার ও শামীমা ইয়াসমিন।
রনি শিকদার ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের নেতা এবং শামীমা মাগুরা জেলা জজ আদালতের একজন আইনজীবীর বোন।
জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বৃহস্পতিবার তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মাগুরা পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নিহত সাকের হোসেন শহরের পারনান্দুয়ালী গ্রামের মৃত কুতুবুদ্দিনের ছেলে। বাস টার্মিনালে রয়েল এক্সপ্রেসের কাউন্টার মাস্টার হিসেবেও কর্মরত ছিলেন তিনি।
বুধবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে বাস টার্মিনালে রয়েল এক্সপ্রেসের কাউন্টারের ভেতরে গুলিবিদ্ধ হন সাকের (৩৯)।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনার দিন ভোরে সাইলেন্সার পাইপ খোলা একটি মোটরসাইকেলে দুই ব্যক্তি কাউন্টারে আসে। মোটরসাইকেল চালু রেখেই তাদের একজন ভেতরে ঢুকে সাকেরের মাথায় গুলি করে। এরপর তারা দ্রুত মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যায়।
স্থানীয়রা সাকেরকে উদ্ধার করে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় বুধবার রাতে সাকেরের স্ত্রী শারমিন নাহার মাগুরা সদর থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে রনি শিকদার ও শামীমা ইয়াসমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এদিকে হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার দুপুরে শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। পরে মধুমিতা সিনেমা হলের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ থেকে হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. কামরুজ্জামান বলেন, মামলার তদন্তে অগ্রগতি হয়েছে। খুব শিগগির প্রকৃত আসামিদের শনাক্ত করা সম্ভব হবে।
Shamiur Rahman
