February 11, 2026, 5:04 am


শাহীন আবদুল বারী

Published:
2026-02-10 21:50:41 BdST

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনইনশাআল্লাহ টুকুই হবেন টাঙ্গাইল সদরের এমপি


হুগড়া, মগড়া, মামুদনগর, কাতুলী, কাকুয়া, সিলিমপুর, পাকুটিয়া, গালা, ঘারিন্দা, দাইন্যা, বাঘিল, করটিয়াসহ টাঙ্গাইল শহরে ধানের শীষের পক্ষে ভোটাররা ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন। সর্বত্রই ধানের শীষের রব উঠেছে। টুকুকে "ধানের শীষে" ভোট দিয়ে তারেক রহমানের হাত শক্তিশালী করবে টাঙ্গাইল-৫ আসনের ভোটাররা।

ভোটারদের একটাই কথা, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল রাজনীতি করেছেন নিজের স্বার্থের জন্য। তিনি দলকে ব্যবহার করেছেন। উপরে ওঠার সিঁড়ি হিসেবে ফরহাদ ইকবাল দলের পরিচয়ে আজকে নেতা হয়েছেন।

ফরহাদের উঠে আসার পেছনে বড় অবদান যিনি রেখেছে; তিনি হচ্ছেন টাঙ্গাইল-৫ আসনের 'ধানের শীষ' প্রতীকের প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। এই নেতার অবদানকে ফরহাদ অস্বীকার করছেন। তিনি টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হয়েছিলেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর কল্যাণে।

স্থানীয় ভোটারগন ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মতে, আজ ফরহাদের কথাবার্তা ও তার অনুসারীদের কথাবার্তা, আচার-আচরণ খুবই আপত্তিজনক। যা তাদের ভাবিয়ে তুলেছে। ফরহাদ ও তার অনুসারীরা যা করেছে, এর ফল ১২ ফেব্রুয়ারীর নির্বাচনে সদরের জনগণ ব্যালটের মাধ্যমে জবাব দিবে।

টাঙ্গাইল সদরবাসীর চরাঞ্চলের ৫৪ বছরের হাহাকার যমুনা নদীর বেড়িবাঁধ। আর এই বেড়িবাঁধের চাহিদা পূরণের একমাত্র মাধ্যম সদরবাসীর ঘরের সন্তান জননেতা সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের চরবাসী ও ভরবাসী জনগণের মানোন্নয়নের মার্কা 'ধানের শীষ'। শ্লোগান একটাই "দক্ষ দেখে পক্ষ নিন - ঘরের সন্তান জননেতা সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে ধানের শীষে ভোট দিন"।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নির্বাচিত হলে আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশের উন্নয়নের তালিকায় টাঙ্গাইল জেলা এক নম্বরে উঠে আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন টাঙ্গাইল-৫ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

তিনি বলেন, টাঙ্গাইলকে আধুনিক ও পরিকল্পিত শহরে পরিণত করতে হলে সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত করা প্রয়োজন। আমি নির্বাচিত হলে শহরকে পরিকল্পিত ভাবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

টুকু আরও বলেন, আমি যে প্রতীকে নির্বাচন করছি, সেটি শুধু আমার নয় এটি দেশের মানুষের প্রতীক। হৃদয়ের প্রতীক ধানের শীষ দেখলে মানুষের অন্তর জুড়িয়ে যায়। দীর্ঘ ১৭ বছর পর এই প্রতীকে ভোট দেওয়ার সুযোগ এসেছে। সঠিক ভোটের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে।

গত ৯ ফেব্রুয়ারী টাঙ্গাইল ঐতিহ্যবাহী উদ্যানে আখেরি জনসভায় ৫০ হাজার মানুষের সমাবেশে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, টাঙ্গাইল সদরের মানুষ আমাকে যেভাবে সমর্থন দিয়েছেন, তাতে আমি সবার কাছে চিরকৃতজ্ঞ। আজ থেকে আমি "আমার এই জীবন টাঙ্গাইল সদরবাসীর জন্য উৎসর্গ করে দিলাম"।

বিএনপির নেতাকর্মীরা এই প্রতিবেদককে বলেন, ৯ ফেব্রুয়ারী সর্বসাধারণের উপস্থিতি প্রমাণ করে টাঙ্গাইলে ধানের শীষের বিকল্প কেউ নেই। টুকুর বিকল্প কেউ নেই। টুকু অসহায় মানুষের বন্ধু। তার প্রতি মানুষের দোয়া আছে। কারো ক্ষতি করেনা সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। টাঙ্গাইলের উন্নয়নের জন্য তিনি যে সাত দফা দাবি উত্থাপন করেছেন, জনগণের ভোটে বিএনপি নির্বাচিত হলে সেগুলো বাস্তবায়নের আশ্বাস দিয়েছেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

টুকু বলেন, ১৪, ১৮ ও ২৪ সালে আমরা ভোট দিতে পারিনি। ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে দেশনেত্রী খালেদা জিয়াসহ অসংখ্য নেতাকর্মী নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। আমি নিজেও পাঁচ বছরের বেশি সময় কারাগারে থেকেছি, রিমান্ডে অমানুষিক নির্যাতনের শিকার হয়েছি। এত শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমরা আজ একটি গণতান্ত্রিক নির্বাচনের সামনে দাঁড়িয়ে আছি।

দল-মত নির্বিশেষে সবার জন্য কাজ করার অঙ্গীকার করে তিনি বলেন, তিনি কখনো অন্যায়কে প্রশ্রয় দেবেন না এবং নিজেও কোনো অন্যায় করবেন না। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে উন্নয়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।

টুকু বলেন, ধানের শীষ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের প্রতীকই নয়, এটি দেশের মানুষের প্রতীক। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষের বিজয় হবে ইনশাআল্লাহ।

সম্প্রতি, একটি সংস্থার জরিপের তথ্যানুযায়ী, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বর্তমানে অন্য সব প্রার্থীর চেয়ে অনেক এগিয়ে আছেন। টুকুর পক্ষে বিএনপির নেতাকর্মীরা যেভাবে কাজ করছে, তা অন্যদের পক্ষে সম্ভব হয়নি।

তাছাড়া, টুকু রাতদিন নিরলসভাবে মানুষের ঘরে ঘরে গেছেন। নারূ-পুরুষ, বৃদ্ধ-বৃদ্ধা, তরুণ-তরুণী, শিক্ষক-শিক্ষার্থী সহ বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষের মন কেড়েছেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

উক্ত সংস্থাটির জরিপে টুকুর জনপ্রিয়তায় হতাশ হয়ে একটি গ্রুপ ঈর্ষান্বিত হয়ে নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে।

Unauthorized use or reproduction of The Finance Today content for commercial purposes is strictly prohibited.