January 17, 2021, 3:30 pm


নিজস্ব প্রতিবেদক

Published:
2020-12-04 11:20:09 BdST

শুক্রবারকে টার্গেট করেছে মৌলবাদীরা?


আজ শুক্রবার। পবিত্র জুম্মাবার। আর এই দিনটিকেই টার্গেট করেছে ধর্মান্ধ মৌলবাদী গোষ্ঠী। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমসহ বিভিন্ন মসজিদে জমায়েত এবং জুম্মার নামাজ শেষে ঝটিকা মিছিল করে একটা অস্থির পরিস্থিতি সৃষ্টির পরিকল্পনা করেছে কয়েকটি মৌলবাদী সংগঠন।

একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা এরকম পরিকল্পনার কথা জানতে পেরেছে। আর এজন্যই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সতর্ক রাখা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্রে জানা গেছে, জুম্মার নামাজের পর একটি মহল উস্কানি সৃষ্টির পরিকল্পনা করেছে।

মুজিব শতবর্ষে সরকার ধোলাই পাড়ে এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। কিন্তু কয়েকটি মৌলবাদী সংগঠন এর প্রতিবাদ করে। সরকার প্রথম দিকে এ ব্যাপারে নীরবতা অবলম্বন করে। কিন্তু সরকারের এই নীরবতাকে মৌলবাদীরা দূর্বলতা মনে করে। এরা বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নিয়ে উস্কানিমূলক এবং আপত্তিকর কথা-বার্তা বলতে শুরু করে। এর পরপরই মাঠে নামে আওয়ামী লীগ। 

আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে মৌলবাদীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ঘোষণা করা হয়। এখন প্রতিদিনই আওয়ামী লীগ এ নিয়ে নানা রকম কর্মসূচী পালন করছে। এই অবস্থায় মৌলবাদীরা সাময়িকভাবে চুপ করে আছে। কিন্তু তারা পাল্টা বড় ধরণের শো ডাউন করার প্রস্তুতি নিয়েছে বলে জানা যায়। 

হেফাজতের পক্ষ থেকে আজ শুক্রবার বায়তুল মোকাররমে কর্মীদের জমায়েত হতে বলা হয়েছিল। এছাড়াও ঢাকার বিভিন্ন স্থানে তাদের সংগঠিত হবার খবর পাওয়া গিয়েছিল। তারা আজ ভাস্কর্য বিরোধী এক বড় শো ডাউনের প্রস্তুতি নিয়েছিল।

আর এই প্রেক্ষাপটে কঠোর অবস্থানে গেছে সরকার। সরকার ঢাকায় সব ধরণের সভা সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে। আজ বায়তুল মোকাররমসহ বিভিন্ন মসজিদে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নজরদারি ও উপস্থিতি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

সরকারী সূত্রগুলো বলছে, তাদের কাছে খবর আছে যে, মৌলবাদী গোষ্ঠীগুলোকে উস্কে দিতে রাজনৈতিক মহল মদদ দিচ্ছে। বিএনপি নেপথ্যে ধর্মান্ধ দলগুলোকে ভাস্কর্য বিরোধী আন্দোলনে সহযোগিতা করছে বলে সরকারের হাতে যথেষ্ট তথ্য প্রমাণ রয়েছে। আর একারণেই আজ শুক্রবার সর্বোচ্চ সতর্কবস্থায় থাকছে সরকার।

Unauthorized use or reproduction of The Finance Today content for commercial purposes is strictly prohibited.


Popular Article from FT বাংলা