শাহীন আবদুল বারী
Published:2025-09-01 01:04:07 BdST
গৌরব ও আত্মত্যাগের ৪৭ বছর
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে প্রতিটি অধ্যায়ের পেছনে আছে সংগ্রাম, আত্মত্যাগ আর অম্লান গৌরবের কাহিনী। সেই ইতিহাসে ১৯৭৮ সালের ১লা সেপ্টেম্বর যাত্রা শুরু করেছিল একটি নতুন রাজনৈতিক শক্তি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।
আজ দীর্ঘ ৪৭ বছরের পথচলা, যেখানে ছিল উত্থান-পতন, সাফল্য-অর্জন আর অবিরাম সংগ্রাম।
স্বাধীনতার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশে জাতীয়তাবাদের নতুন দর্শন প্রতিষ্ঠার প্রয়াসে জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে গড়ে ওঠে বিএনপি। দলটি প্রথম থেকেই প্রতিশ্রুতি দেয় বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, জনগণের অধিকার রক্ষা এবং স্বাবলম্বী বাংলাদেশ গড়ে তোলা। এই প্রতিশ্রুতিই বিএনপিকে অল্প সময়ের মধ্যেই জনগণের কাছে এক ভরসার নাম করে তোলে।
বিএনপির ৪৭ বছরের ইতিহাস মানে শুধু রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নয়; এটি রক্তঝরা সংগ্রামের ইতিহাসও। একাত্তরের উত্তরাধিকার বহনকারী অনেক মুক্তিযোদ্ধা এই দলের ভেতরে নেতৃত্ব দিয়েছেন। গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে অসংখ্য নেতা-কর্মী কারাবরণ করেছেন, শহীদ হয়েছেন, নির্যাতন সহ্য করেছেন। ১৯৯০-এর গণআন্দোলন থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক দুঃসময় পর্যন্ত বিএনপির রাজপথ রক্তে রঞ্জিত হয়েছে বারবার।
এই আত্মত্যাগই দলের মেরুদণ্ডকে শক্ত করেছে, যে কারণে বিএনপি এখনও বিরোধী কণ্ঠকে একক শক্তি হিসেবে ধারণ করে আছে। বিএনপি শুধু সংগ্রামের দল নয়, বরং রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনের ইতিহাসও তাদের গৌরবের অংশ।
দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষায় প্রগতি, শিল্পায়ন ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে পরিবর্তন এবং কূটনৈতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা এসব অর্জন বিএনপির শাসনামলকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বিশেষভাবে চিহ্নিত করেছে।
৪৭ বছর পর বিএনপি এক নতুন সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। দলটির সামনে এখন দুটি বড় প্রশ্ন --------
গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে তারা কীভাবে নতুন প্রজন্মকে সঙ্গে নেবে?
দেশকে দুর্নীতি, বৈষম্য ও অরাজকতা থেকে মুক্ত করে কীভাবে একটি আধুনিক রাষ্ট্রের স্বপ্ন পূরণ করবে?
বিএনপির ৪৭ বছরের পথচলা হলো গৌরব ও আত্মত্যাগের সমান্তরাল কাহিনি। কখনো সংগ্রামে ক্লান্ত নয়, কখনো প্রতিকূলতায় হার মানেনি। আজকের প্রজন্ম যদি সেই ইতিহাস থেকে অনুপ্রাণিত হয়, তবে বিএনপি কেবল একটি রাজনৈতিক দল নয়—বরং জাতীয়তাবাদী চেতনার ধারক হয়ে বাংলাদেশকে নতুন ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে নিতে পারবে।
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৮ সালের ১লা সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ( বিএনপি) প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এবং রাজনৈতিকভাবে বিভক্ত জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে বাংলাদেশী চেতনায় আপামর জনসাধারণের আন্তরিকতায় দেশব্যাপী খ্যাতিমান আলোকিত ব্যক্তিবর্গ নিয়ে একটি আধুনিক রাষ্ট্র গড়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল প্রতিষ্ঠা করা হয়।
আজ বিএনপি'র ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আপোষহীন নেতৃত্ব, মাদার অফ ডেমোক্রেসি, সততার গুণের অনুপ্রেরণা। তারেক রহমান বলিষ্ঠ, বুদ্ধিদীপ্ত এবং পিতামাতার ন্যায় যোগ্য, নীতিবান ত্যাগী নেতৃত্বের অধিকারী একজন মানুষ। তিনি সহযোগীদের নিয়ে ফ্যাসিস্টের দীর্ঘসময় কালের কলুষিত রাজনীতি এবং রাষ্ট্রকে একটি অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং সমৃদ্ধ,স্বনির্ভর, দুর্বৃত্তায়নমুক্ত রাষ্ট্র পুনর্গঠনের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক অবকাঠামো শক্তিশালী করবেন এটাই হোক বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর শ্লোগান।
তারেক রহমান ঠিক যেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রতিচ্ছবি। বিশ্ব নেতাদের মঞ্চে ঠাই পাওয়া একটি নাম। ২০০১ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার বুদ্ধিদীপ্ত, স্মার্ট লিডারশীপের এক সুপ্ত স্বাক্ষর রাখতে পেরেছিলেন বলেই এদেশের রাজনৈতিক অঙ্গন তা উপলব্ধি করতে পেরেছেন। চার দলীয় জোট এক বিশাল বিজয় নিয়ে সরকার গঠন করে এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সাংগঠনিকভাবে সুদৃঢ় হয়।
চারদলীয় সরকারের সাফল্যকে ম্লান করে ১/১১ সেনা সমর্থিত সরকার আসে। যার ফলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বিশেষ করে জিয়া পরিবারের উপর খড়গ নেমে আসে। এর মূল হোতা দেশীয় ও বিদেশীয় চক্রান্ত। যার প্রধান টার্গেট ছিলো "জিয়া পরিবার বা তারেক রহমান"।
তারেক রহমানের দেশপ্রেম ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বের প্রতি তারা ছিল ঈর্ষান্বিত। এই চক্র কখনো চায়নি বাংলাদেশ একটি আত্মনির্ভরশীল দেশ হয়ে পৃথিবীর মানচিত্রে স্থান পাক। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়ার যোগ্য উত্তরসূরি তারেক রহমানই পারেন সুখী,সমৃদ্ধ,আত্মনির্ভরশীল, স্বনির্ভর ও দুর্বৃত্তায়নমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে ।
কোন অপশক্তিই তা পরাস্ত করতে পারবেনা এটাই ছিল মূল কারণ। চক্রান্তকারীরা দীর্ঘ ১৭ বছর দেশের রাজনীতিকে বিনষ্ট করে জিয়া পরিবার তথা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উপর প্রতিহিংসা মূলক পৈশাচিক আচরন করেছে। খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলা, জেল-জুলুম, শারীরিক ও মানসিক যন্ত্রণা দিয়েছে। হাসিনা সরকার গঠিত মেডিক্যাল টীমের ভুল চিকিৎসার খেসারত স্বরুপ তার জীবন আজ হুমকিতে। তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও পাশবিক নির্যাতন করে তাকে দেশান্তরী হতে বাধ্য করা হয়েছে। সুদূর প্রবাস থেকেই দেশ ও দলের ক্রান্তিলগ্নে তারেক রহমান তার সাংগঠনিক দক্ষতা, লিডারশীপের মন নিয়ে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছেন।
বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তারেক রহমানের অপেক্ষায় বাংলাদেশের মানুষ। এটা শুধুমাত্র একটি আবেগ পূর্ণ বাক্যের গন্ডিতে সীমাবদ্ধ নয়। দেশের আপামর জনসাধারণের আশা-আকাঙ্খার প্রতিফলনের প্রতিচ্ছবির নাম তারেক রহমান। জনমনের বিশ্বাস তার যোগ্য, দক্ষ ও দূরদর্শী নেতৃত্বে উন্মেচিত হবে এক সম্ভাবনীয় বাংলাদেশ। তারেক রহমান ইতিমধ্যেই জনমনে আস্থা অর্জন করেছেন। তিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ এবং দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়ার যোগ্য নেতৃত্বকে সামনে রেখে তিল তিল করে এগিয়ে যাচ্ছেন। দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে তারেক রহমানের ধৈর্যশীলতা সর্বমহলে প্রশংসিত ।
সুদীর্ঘ ১৭ বছরের সৈরাচার হাসিনা সরকারের গুম,খুন, জেল-জুলুম তার প্রতিবাদী দীর্ঘ আন্দোলনে নিরস্ত্র রাজনীতিবিদ, পেশাজীবি এবং অসহায় জনসাধারণকে দিতে হয়েছে আত্মহুতি। শিকার হতে হয়েছে মিথ্যা মামলা ও জেল-জুলুমের। এই দীর্ঘ আন্দোলন এবং বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতার আন্দোলনের ফলে স্বৈরাচার হাসিনা সরকারের পতন হয়। তারেক রহমান এর দিকনির্দেশনায় গণঅভ্যুত্থান সফল হয়। এজন্য বিএনপির সকল স্তরের নেতা-কর্মীদের উচিত সকল প্রকার ভেদাভেদ ভুলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে জনগণের মাঝে তার নেতৃত্বের স্বচ্ছ ছবি উপস্থাপন করা। যার ফলশ্রুতিতে প্রস্ফুটিত হবে তারেক রহমানের অপেক্ষায় বাংলাদেশ। যেখানে থাকবে না সন্ত্রাস, লুটতরাজ, রাহাজানি। হরণ হবে না বাকস্বাধীনতা ও সম্পদের উপর অবাধ আক্রমণ।
ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের ধ্বসে যাওয়া রাষ্ট্রের পুনর্গঠনের রুপকার তারেক রহমানের বলিষ্ঠ ভুমিকায় প্রাধান্য পাবে "দিল্লি নয় পিন্ডি নয়, নয় অন্য কোন দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।"
বিএনপির মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দলের ত্যাগীদের যদি মূল্যায়ন না হয় তৃণমূলে বিএনপি নামক দলটি ফ্যাসিবাদীদের হাতে চলে যাবে। যারা অতীতে আওয়ামী লীগের সাথে থেকে ব্যবসা বাণিজ্য ও বিবিধ সুযোগ নিয়েছে তারা আজ ঠিক আওয়ামী দোসরদের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। তারা পদ পদবী পাওয়ার জন্য ত্যাগীদের রেখে ওদের মাস্টার প্ল্যান করছে। এভাবে যদি হয় তাহলে প্রশ্ন থাকবে বিএনপির আগামী দিনগুলোতে কি ত্যাগীরা দূরে হারিয়ে যাবে? তাই আজ আওয়াজ তুলতে হবে যারা আওয়ামী লীগের সময় সুযোগ সুবিধা ও ওদের সাথে ছিল তাদের বয়কট করতে হবে। নতুবা পুনরায় তৃণমূল থেকে প্রতিবাদ আসবে। সেই প্রতিবাদ সামাজিক যোগাযোগে মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়বে। যেটি হবে অতি ক্ষোভ ও দুঃখের। তাই এদের শীঘ্রই চিহ্নিত করতে হবে। বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী থেকে সবার প্রতিজ্ঞা করতে হবে দলের সুবিধাভোগী এবং হাইব্রিডদের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে কোন স্থান হবেনা।
বিএনপি নেত্রী শ্যামা ওবায়েদ বলেছেন, ফ্যাসিস্ট আমলে সংসদ ও সংসদের বাইরে প্রতিটি ক্ষেত্রে আওয়ামী তাঁবেদারদের ও দুর্বৃত্তদের সঙ্গে বিএনপি লড়াই করেছে।
তিনি বলেন, তারেক রহমান অকুতোভয় সংগ্রামী নেতা। বাবার আদর্শ এবং যোগ্য মায়ের নেতৃত্ব তাকে দেশ সেবায় নিয়োজিত করেছে। যারা নিজের আখের গোছালে চাঁদাবাজি ধান্দাবাজতে লিপ্ত তাদের আখের ভালো হবে না।
শ্যামা ওবায়েদ মনে করেন তার বাবা প্রয়াত ওবায়দুর রহমান ছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত। বিএনপির সকল নেতাকর্মীরা জিয়াউর রহমানের আদর্শকে সামনে রেখে দেশের মানুষের জন্য কাজ করবে এটাই হোক বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অঙ্গীকার।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র কেন্দ্রীয় ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক বলেছেন, ‘আগামী ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য নানাভাবে ষড়যন্ত্র চলছে। কেউ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চাইছে, কেউ আবার বিদেশি প্রভুদের সহযোগিতা নিয়ে নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। তবে বাংলাদেশের জনগণ ঐক্যবদ্ধ—তারা অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন ছাড়া কিছুই মেনে নেবে না।বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে তিনি এই কথা বলেন।
১৯৮১ সালের ৩০শে মে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে যখন হত্যা করা হয়, তখন খালেদা জিয়া ছিলেন একজন গৃহবধূ। রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি তখন বিপর্যস্ত ও দিশেহারা। পরে বিএনপির ভাইস-প্রেসিডেন্ট সাবেক বিচারপতি আব্দুস সাত্তারকে অস্থায়ী প্রেসিডেন্টেরের দায়িত্ব দেয়া হয়। আব্দুস সাত্তারের দল পরিচালনা নিয়ে অসন্তোষ দেখা দেয়। ১৯৮২ সালের ৩রা জানুয়ারি একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে খালেদা জিয়ার আত্নপ্রকাশ ঘটে। ওই দিন তিনি বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদ লাভ করেন। একই বছর ৭ নভেম্বর জিয়াউর রহমানের সমাধিস্থলে শ্রদ্ধা নিবেদন গিয়ে খালেদা জিয়া প্রথম বক্তব্য রাখেন। ১৯৮৩ সালের মার্চ মাসে খালেদা জিয়া বিএনপির সিনিয়র ভাইস-চেয়ারম্যান হোন। কয়েক মাসের মধ্যেই দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নিযুক্ত হোন। ১৯৮৪ সালের ১০ মে খালেদা জিয়া বিএনপির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ৮০দশকে জেনারেল এরশাদের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের মাধ্যমে দেড়জুড়ে খালেদা জিয়ার ব্যাপক পরিচিতি গড়ে উঠে। ৯১সালে প্রথম প্রধানমন্ত্রী হোন। ৯৬ সালে দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হোন এবং ২০০১ সালে তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হোন বেগম খালেদা জিয়া। স্বৈরশাসক আওয়ামী লীগের সাথে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দলকে টিকিয়ে রেখেছেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
Unauthorized use or reproduction of The Finance Today content for commercial purposes is strictly prohibited.