শাহীন আবদুল বারী
Published:2026-04-18 13:30:25 BdST
ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে প্রশংসায় ভাসছেন তারেক রহমানবিরোধী দলের ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণেও বিনয়ী প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দু'মাস ধরে রাষ্ট্র পরিচালনা করছে বিএনপি সরকার। ১৮০ দিবস অর্থাৎ ছয়মাসের কর্মসূচি দিয়ে নিজেদের মধুচন্দ্রিমাকাল ঘোষণা করেছে সরকার। এরই মধ্যে ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে আলোচনা এবং প্রশংসায় ভাসছেন তারেক রহমান। বিরোধীদলের ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণে প্রধানমন্ত্রী অতিষ্ঠ বা রাগ না করে, বরং নমনীয় ও বিনয়ী আচরণ দেখাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী।
বিএনপি সরকার গঠনের পর থেকে বেশ কিছু জনকল্যাণমুখী ও সংস্কারমূলক উদ্যোগ নিয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—ব্যক্তিগত খরচে চলাচলের সিদ্ধান্ত, ১৮০ দিনের অ্যাকশন প্ল্যান, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে টিসিবির পণ্য বিতরণ, কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ এবং প্রযুক্তি ও আইসিটি খাতে সংস্কার। হজযাত্রার খরচ ১২ হাজার টাকা কমানো হয়েছে, আগামী বছর আরও কমানোর আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান সরকারি গাড়ি, চালক ও জ্বালানি ব্যবহার না করে নিজ ব্যবস্থাপনায় চলাচল করছেন। প্রটোকল কমিয়ে শনিবারও অফিস করছেন। তারেক রহমানের প্রতিটি কাজ দেখে জনমনে ব্যাপক চমকের সৃষ্টি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর লাটবহরের নামে সাধারণ পথচারীদের আটকে রাখা হচ্ছে না। জ্যামে আটকা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কুশল বিনিময় করে অভিভূত হচ্ছেন পথচলতি মানুষ। অতি সাধারণ বেশভূষা, চলাফেরায় মনোযোগ আকর্ষণ করেছেন তিনি। আটপৌরে মধ্যবিত্ত পরিবারের অভিভাবকের মতো স্ত্রী-কন্যাকে গুরুত্ব দেওয়ায় ধন্য ধন্য করছে নাগরিক সমাজ।
কিন্তু, এসবের বাইরেও হিসাবের খাতা খুলে রেখেছে সংশ্লিষ্টরা। বেশি ভালো, ভালো না—এই আপ্তবাক্যে বিশ্বাসী মানুষের সংখ্যাও কম নয় দেশে। তারা বলছেন, সরকারপ্রধান কেন তার জন্য বরাদ্দ সম্মান ও সুযোগ-সুবিধা নেবেন না? প্রটোকল কমানোয় নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়েছে। সাশ্রয়ের চেয়ে নিরাপত্তা জরুরি। কিন্তু মিডিয়ায় সরকারের এই উন্নয়ন মূলক কাজের স্বীকৃতি যেভাবে গুরুত্ব সহকারে প্রচার হবার কথা, তা হচ্ছেনা।
রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধাদের গড়া দল বিএনপিকে প্রোপাগান্ডার মাধ্যমে স্বাধীনতা বিরোধী তকমা দিয়েছিল আওয়ামী লীগ। টানা সতের বছর ফ্যাসিস্ট বিরোধী আন্দোলন করেছে বিএনপি। চূড়ান্ত পর্যায়ে গণঅভ্যুত্থানে পনের’শর বেশিরভাগ শহীদ তাদের। দলটির হাজার হাজার আহত, অন্ধ, পঙ্গু নেতা-কর্মীরা অভ্যুত্থানের দগদগে স্মৃতি বহন করছে। তারপরও দলটিকে জুলাই বিরোধী হিসাবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে জামায়াত। নিজেদের অর্জনকে সুরক্ষা দিতে পারে না বিএনপি। নাকি জনগণের ওপর ছেড়ে দিয়ে শুধু রাষ্ট্রক্ষমতা উপভোগ করতে চায় দলটি? এই বিষয়ে বিএনপি তথা মিডিয়া উইং একেবারেই দুর্বল ভূমিকা পালন করছে বলে বিশ্লেষকদের অভিমত।
তারেক রহমান বিনিয়োগের বাধা দূর করতে ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক, কর ও শুল্ক কাঠামোতে সংস্কারের উদ্যোগ এবং পেপ্যাল পরিষেবা চালুর জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছেন। কিন্তু, গত দু'মাসে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে তেমন কোনো মুন্সিয়ানা দেখাতে পারেনি সরকার। এর দায়ভার যাদের উপর বর্তায় তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। এর মধ্যে নতুন করে আলোচনায় এসেছে ফ্যাসিস্ট আমলে সুবিধাভোগী ব্যবসায়ীদের নাম। যেমন "কৃষি কার্ড" বিতরণ প্রজেক্ট যে প্রতিষ্ঠানকে দেয়া হয়েছে, তিনি নাকি আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পলকের ডানহস্ত ছিলেন। বিভিন্ন দপ্তরের দায়িত্বশীলরাও এখনো গত সরকারের লোক। এতে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে সরকারের উন্নয়ন। যা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে অনুসন্ধান চালালে সরকার উপকৃত হবে।
বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকটের ঝাপটা লেগেছে দেশেও। সংকট সর্বজনীন হলেও শঙ্কা একান্তই নিজস্ব। ‘পর্যাপ্ত মজুত আছে, সংকট নেই’—সরকারের এ কথায় আস্থা রাখছে না কেউ। তেল নিয়ে তেলেসমাতি চলছেই। আগের সরকারের মতো বিএনপি সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্তরা গদবাধা কথা বলে যাচ্ছে বলে বেশ জোরেশোরে রব উঠেছে। পাম্প থেকে শুরু করে মোটরসাইকেল মালিক পর্যন্ত সুযোগ পেলেই মজুত করছে। অনাগত দিনের কথা ভেবে মানুষ আতঙ্কে ভুগছে। সরকারের জন্য এটা বড় চ্যালেঞ্জ।
গত ঈদ যাত্রায় সফলতা দাবি করেছেন সরকারের মন্ত্রীরা। কিন্তু পাস নম্বর দেয়নি যাত্রীরা। উপরন্ত প্রমাণ সহ যাত্রীরা ফ্ল্যাশ করেছেন রাস্তা-ঘাটের হাল চিত্র। মন্ত্রীদের বক্তব্যের সাথে প্রকৃত চিত্রের তেমন কোন মিল ছিলো না। অব্যবস্থাপনা আর দুর্ঘটনায় প্রায় চারশ মানুষ মারা গেছেন। তবে সব কিছুই প্রত্যক্ষ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শিক্ষার্থীদের জন্য জাপানে স্টুডেন্ট ভিসার ক্ষেত্রে জামানতবিহীন ঋণের সীমা ৩ লাখ থেকে বাড়িয়ে ১০ লাখ টাকা করা হয়েছে। তরুণরা এতে খুশি। কিন্তু, ঋণ পেতে ব্যাংকিং সেক্টরের আমলাতান্ত্রিক জটিলতার নিরসন চায় তারা। জাতীয় অ্যাথলেটদের জন্য ‘স্পোর্টস অ্যালাউন্স’ চালু করে প্রশংসিত হয়েছে সরকার। তবে, খেলার মানোন্নয়নে ব্যবস্থাপনা পর্ষদের দৃশ্যমান কোনো উন্নতি হয়নি। উপরন্তু কমিটি নিয়ে রাজনীতি বেড়েছে। বাফুফে, বিসিসি সব ক্রীড়া প্রতিষ্ঠানেই অসন্তোষ চলছে। শুধু যোগ্যতা ও দক্ষতা দেখে নিয়োগ দিলেই হচ্ছে না। ফ্যাসিস্ট, অন্তর্বর্তী নাকি বর্তমান সরকারের অনুগত— সেটাও এখন দেখতে হচ্ছে। তাছাড়া আওয়ামী লীগ সরকারের মতো নিজেদের আখের গোছাতে কিছু এমপি-মন্ত্রী তাদের আত্নীয় স্বজনদের নিয়োগ দিয়ে বেকায়দায় ফেলেছে সরকারকে। এতে ক্রমেই ফুসে উঠছে ত্যাগী, যোগ্য ও মেধাবীরা।
বিশ্লেষকদের মতে, অর্থনীতির চাকা সচল রেখে পরিকল্পনা অনুযায়ী নতুন বাংলাদেশ গড়তে হবে। সেজন্য প্রতি পদে পদে বাধা আসবে। ভেতর-বাহির সব জায়গা থেকেই বাধাবিপত্তি আসতে পারে। চব্বিশের রক্তাক্ত গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিস্টমুক্ত দেশে জনগণের প্রত্যাশা বেড়েছে কয়েকগুণ। অভ্যুত্থানের সহযোগী সংগঠন জামায়াতে ইসলামী এখন প্রধান বিরোধী দল। দীর্ঘদিন ধরে দলটির নেতাকর্মীদের অনেকে গুপ্ত রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিল। বর্তমানে তারা প্রকাশ্যে দলীয় রাজনীতি করছে। এদের অনেকে আগে আওয়ামী লীগ বা বিএনপির নেতা-কর্মী-সমর্থক হিসেবে পরিচিত ছিল। সাংবিধানিক এবং সংসদীয় রাজনীতির ধারক ও বাহক হিসেবে তারা এখন সরকারের সমালোচনা করবে— এটাই স্বাভাবিক। সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ জনবিরোধী মনে হলে প্রতিবাদ করবে। সংসদে সুবিধা করতে না পারলে রাজপথে নামবে। অর্থাৎ সামনে থেকে বিরোধিতা করবে। আর, চব্বিশের পাঁচ আগস্টের পরপরই পলাতক আওয়ামী লীগ পেছন থেকে শত্রুতা করে আসছে। দুটি দলই প্রাচীন। একটি কর্মীনির্ভর। অন্যটি ধর্মনির্ভর। এই দুই মিলিত শক্তির বিপরীতে কতটুকু প্রস্তুত ক্ষমতাসীন দল বিএনপি। এই দলটি উদার গণতান্ত্রিক ও সমর্থকনির্ভর। ধর্ম বা ক্যাডারভিত্তিক রাজনীতিতে অভ্যস্ত নয় বিএনপি। এর জন্য তাদের অনেক মূল্যও দিতে হয়।
স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব, নীতি ও আধুনিকতার জন্য জনগণের প্রথম পছন্দ শহীদ জিয়ার বিএনপি। কিন্তু ক্ষমতা পেলে দলটি খেই হারিয়ে ফেলে প্রায়ই। ১৯৯১-৯৬ সালের বিএনপি সরকার সর্বদা প্রশংসিত সব মহলে। প্রত্যাশা বাড়ায়, তার চেয়ে কয়েকগুণ ভালো করলে বর্তমানে প্রশংসা পাবে। এরই মধ্যে টুকটাক ভুল করলেও কঠোর সমালোচনা করছে না শুভাকাঙ্ক্ষীরা। হানিমুন পিরিয়ড পর্যন্ত সময় দিতে চায় তারা। তবে কয়েকজন মন্ত্রী মহোদয় বেসামাল পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছেন। আওয়ামী লীগের ওবায়দুল কাদের ও হাসান মাহমুদ গংদের মতো লাগামহীন বেলেল্লাপনা করছেন। এদের বেক্কলপনায় কিছুটা সমালোচনার মুখে পড়েছে সরকার। শীর্ষ কোন নেতা ভুল করলে শুধরিয়ে না দিয়ে, জি হুজুরে মশগুল। যেমনটি ছিলো শেখ হাসিনার সময়।
একটি লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে, আওয়ামী লীগ এবং জামায়াতের দুজন নারী নেত্রী গ্রেপ্তারের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ সংবাদের প্রতিক্রিয়ায় ব্যাপক সরব প্রতিবাদ জানায় দল দুটির সমর্থকরা। বিশেষ করে জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীকে আটকের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে দিনভর সরব থাকে আওয়ামী লীগ সমর্থকরা। তিনি উচ্চশিক্ষিত, মার্জিত নারী বলে উল্লেখ করা হয় বিভিন্ন স্ট্যাটাসে। অথচ তিনি প্রহসনের নির্বাচনে জয়ী হয়ে স্পিকারের দায়িত্ব পেয়েছিলেন। সে কথা কেউ লিখেননি। বিএনপির দুর্বল মিডিয়া উইংও একেবারে চুপচাপ ছিলো।
অন্যদিকে, জামায়াতের ভোলা পৌরসভার নারী কর্মী বিবি সাওদাকে গ্রেপ্তার করার ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। জামায়াতের বিভিন্ন শাখার রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনের ব্যক্তিরা এ নিয়ে প্রকাশ্যে মতামত দিয়েছেন। ‘‘কথা বলার অপরাধে প্রতিবন্ধী সন্তানের মা আটক’। মত প্রকাশের জন্য ৩৭ বছরের নারীকে আটকের ঘটনায় ফ্যাসিস্টের পদধ্বনি পাওয়া যায়।’’— এ রকম হাজারো হৃদয়বিদারক মন্তব্য করেছেন জামায়াতের অনুসারীরা। কিন্তু বাকস্বাধীনতার নামে ওই নারীর অশালীন শব্দ চয়ন নিয়ে কোনো কথা নেই। বিষয় নির্বাচনেও রীতিমতো সাইকো চরিত্রের মানুষ মনে হয়। নেতাকর্মীদের প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আওয়ামী লীগ ও জামায়াতের অনুসারীদের ভক্তি তুলনাহীন। এখন আবার রাসেদ প্রধানকে শেল্টার দিতে জামাত-আওয়ামী লীগ যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনার ঝড় তুলেছে। এদিকে, মূল্যায়নের প্রশ্নে অনেক জাতীয়তাবাদী অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট নীরব হয়ে যাচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে, সামনে জামায়াত ও পেছনে আওয়ামী লীগ তৎপর হলে বিএনপি কি চিড়েচ্যাপটা হয়ে যাবে?
আরেক টি লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে, আওয়ামী লীগ সরকার আমলে মিডিয়া গুলো সরকারের পক্ষে বেশ সরব ছিলো। বড়ো দু'টি পত্রিকার সম্পাদক সহ অধিকাংশ পত্রিকায় আওয়ামী লীগ সরকারের সংবাদ সম্মেলন হলেও সামনের পেজে ছাপাতে কোন কার্পণ্য করা হতোনা। বেসরকারি টেলিভিশন গুলো রীতিমতো হেড লাইন করতো। বিপরীতে বিএনপি সরকারের নিউজ কতোটুকু প্রাধান্য দিচ্ছে,তা পত্রিকার পাতা খুললে অনুমান করা যায়। অনুরূপ ভাবে টেলিভিশন গুলোতেও একই অবস্থা। দেশের মানুষের কাছে সরকারের উন্নয়ন মূলক কাজের চিত্র মিডিয়ার মাধ্যমে পৌঁছে দেওয়া অতীব জরুরি। নচেৎ এতো এতো কাজ করেও বিরোধী দলের প্রভাকান্ডায় সরকারের ভালো কাজ এবং উদ্যোগ গুলো সায়লায় ডেকে পড়বে। এতে সরকার জনগণের জন্য কি করেছে তা প্রমাণ করতে ভবিষ্যতে কষ্টসাধ্য হয়ে পড়বে। মিডিয়ায় যারা মাথা হয়ে বসে আছে, তারা শুধু সরকারের নানা সুবিধা নিতে ব্যস্ত না থেকে প্রকৃত দায়িত্বটা বহন করলে সরকার উপকৃত হবে। অবশ্য বিএনপি সরকারের নিজস্ব কোন মিডিয়া এখনো তৈরি হয়নি। যৎসামান্য যারা আছে, তারা নিজের আখের গোছাতে মরিয়া। সরকারও এদিকে তেমন নজর দিচ্ছেনা। সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী এবং কর্মকর্তারা এই ব্যাপারে আরো সক্রিয় হলে বেশ ভালো রেজাল্ট আসবে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা মনে করেন। অবশ্যই মিডিয়া কভারেজ লুফে নেওয়াটা সরকারের খুব বেশি দরকার। কারণ এই ডিজিটাল যুগে ভাল বা মন্দ দু'টোই ছড়িয়ে পড়ে মুহূর্তের মধ্যে। আরো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, সোস্যাল মিডিয়া বা যোগাযোগ মাধ্যমে সরকারের ভালো কাজের পোস্ট গুলো উঠে আসা দরকার। পাশাপাশি মিথ্যা প্রভাকান্ডায় যারা লিপ্ত তাদেরকে শক্ত হাতে দমন করতে হবে। এজন্য শুক্ক ডায়ালগ এবং পরিকল্পনায় যেন, কোন ঘাটতি না থাকে। মহান আল্লাহর উপর ভরসা করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে মন্ত্রী পরিষদ সহ সংশ্লিষ্টরা সহযোগিতা করলে দেশ এগিয়ে যাবে। এর ব্যত্তয় ঘটলে দাদারা চলে আসতে সময় লাগবে না। এখন সিদ্ধান্ত সরকারের।
Unauthorized use or reproduction of The Finance Today content for commercial purposes is strictly prohibited.
