শাহীন আবদুল বারী
Published:2026-05-04 16:21:11 BdST
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব রুমনকে নিয়ে হিংসুটেরা ফেসবুকে সরগরম
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন পেশাদার একজন সাংবাদিক। তিনি দৈনিক দিনকাল পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক। বিএনপির দুর্দিনের কান্ডারী। তারেক রহমানের বিশ্বস্ত একজন কর্মী।
আতিকুর রহমান রুমনকে নিয়ে যেসব লোক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কুৎসা রটাচ্ছেন তা সত্যিই নিন্দনীয়। রুমনকে নিয়ে এই অপপ্রচারের নেপথ্যে অবধারিতভাবেই মনে হচ্ছে হয়তো স্বার্থান্বেষী কোন মহলের স্বার্থে আঘাত লেগেছে। শুধু তাই নয়, ষড়যন্ত্রকারীরা বিএনপিরও ঘোর শত্রু বলে মনে করছেন দলীয় নেতাকর্মীরা।
সাংবাদিকদের মতে, স্বার্থ উদ্ধারে ব্যর্থ হওয়ায় এই মহলটি চাচ্ছে যে কোন পন্থায় সরকারের স্বাভাবিক কার্যক্রমে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে। বিএনপি যেন সুষ্ঠুভাবে দেশ পরিচালনা করতে না পারে; সেই অসৎ উদ্দেশ্যেই তারা এখন অপপ্রচারের ন্যায় হীন প্রচেষ্টা করে যাচ্ছে। এদেরকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিক মহল।
দুনিয়ার চিরতায়িত সত্য হচ্ছে, নিন্দুক ও হিংসুটেরা সবসময় ভালো কাজের এবং ভালো মানুষের পেছনে লেগে থাকে। এজন্য তারা একজন সৎ, পরিশ্রমী এবং নিবেদিতপ্রাণ একজন ব্যক্তির ক্ষতি সাধন করতে উঠে পড়ে লেগেছে। তবে এর পেছনে যে অদৃশ্য একটি শক্তি কাজ করছে তা সহজেই অনুমান করা যাচ্ছে। ষড়যন্ত্রকারী যেই হোক, প্রমাণ মিললে তাদের বিষদাঁত ভেঙ্গে ফেলা হবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যখন লন্ডনে ছিলেন, তখন এই আতিকুর রহমান রুমন নিজের জীবন বাজি রেখে সব কিছু সামলেছেন। ভয় করেননি পথের কাঁটাকেও। তার বিরুদ্ধে অতীতেও অনেক ষড়যন্ত্র করা হয়েছে, এখনও করা হচ্ছে।
আতিকুর রহমান রুমন যোগ্য ও সচেতন তাই তাকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দৈনিক দিনকাল পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক করেছেন। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব করেছেন। এতে ষড়যন্ত্রকারীদের শরীরে খোসা উঠেছে। ঘা জ্বালা পোড়া করে। তাই, সহ্য করতে না পেরে এই দুষ্টচক্র আতিকুর রহমান রুমনের সম্মান ক্ষুন্ন করতে সোশ্যাল মিডিয়ায় বাজেভাবে তার ছবি দিয়ে কুৎসা রটানো হচ্ছে। বিষয়টি গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর নজরে এনে, তাদের গ্রেফতার করলে ষড়ন্ত্রকারীদের মুখোশ উম্মোচন হবে। একই সাথে রাষ্ট্রের মধ্যে বিশৃঙ্খলা কারীদের চিহ্নিত করতে সহজ হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, আতিকুর রহমান রুমনকে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে দূরে সরানোর জন্যই একটি চক্র জঘন্যতম কাজ গুলো করছে। রুমনের খ্যাতি তাদের সহ্য হচ্ছেনা। তারা নিজেদের শরীর নিজেরাই কামড়ানো শুরু করেছে।
আতিকুর রহমান রুমন একটি ব্র্যান্ড। তিনি লেখাপড়া শেষ করে বগুড়া থেকেই সাংবাদিকতা শুরু করেন। এরপর জীবনের সাথে সংগ্রাম করে, অনেক ঘাত-প্রতিঘাত সহ্য করে এবং দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে রুমন আজকের অবস্থানে এসেছেন। তাকে নিয়ে যারা নিন্দা ও কুৎসিত ছবি দিয়ে ফেসবুক এই ঝড় উঠানোর বাজে চিন্তায় মগ্ন তাদের প্রতি অনুরোধ, সময় থাকতে ভালো পথে হাটুন। আতিকুর রহমান রুমন জিয়া পরিবারের সদস্য। তারেক রহমান তাকে ছোট ভাইয়ের মতো স্নেহ-মায়া করেন। তারেক রহমানের বিশ্বস্ত এই কর্মীকে নিয়ে যারাই ক্ষতি করার পায়তারা করছেন, তাদের জন্য বার্তা হচ্ছে "ভালো" হয়ে যান।
নিন্দা করার তো একটা ভাষা থাকবে সাথে যুক্তিযুক্ত যুক্তি থাকবে।তাই বলে এতটা নোংরা,এত নিচে নামতে পারে কোন সমজদার মানুষ? মনে রাখতে হবে, উপরে একজন আছেন তিনিও কিন্তু দেখেন। তাই এমন পাপ করবেন না, যা সয়ং সৃষ্টিকর্তাও মাফ করবেন না।দয়া করে আতিকুর রহমান রুমনের বিরুদ্ধে মিথ্যা রটনা ছড়াবেন না। হ্যাঁ তার ভুল পেলে অবশ্যই সমালোচনা করেন। কিন্তু মিথ্যা দিয়ে সত্য ঢেকে কিছু করবেন না প্লিজ। যদি তাও না থামেন,তাহলে আইনের আওতায় এনে আপনাদের মিথ্যা অপবাদ এর বিচার করা হবে।
প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ আতিকুর রহমান রুমন আপনার বিশ্বস্ত একজন কর্মী। আপনি যেখানেই সফর করুন না কেন; রুমন আপনাকে ছাতার মতোই আগলে রাখবে। তিনি সদাসর্বদা হাস্যজ্জল থাকেন। আপনার কাছে তার তেমন চাওয়া পাওয়া হয়তো নেই। আপনি ভালো থাকলে দেশ ভালো থাকবে, দল ভালো থাকবে। সেই কথা চিন্তা করেই রুমনদের মতো নিষ্ঠাবান মানুষ আপনার সাথে সার্বক্ষণিক সময় দিচ্ছেন। তবে এটাও সত্য, কিছু মানুষ আপনার সাথে থেকে এবং দলীয় পদ পদবি ব্যবহার করে ভালোই আখের গোছাচ্ছে। সম্ভব হলে একটু চোখ, কান খোলা রেখে চলবেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কারণ অতীতে কিন্তু আপনার আশেপাশের সঙ্গীরাই আপনাকে ডুবিয়ে ছিল।
উল্লেখ্য, সদ্যসমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে সরকার গঠনের পর গত ১৮ ফেব্রুয়ারি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় আতিকুর রহমান রুমনকে চুক্তিতে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব হিসেবে নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করে।
Unauthorized use or reproduction of The Finance Today content for commercial purposes is strictly prohibited.
