শাহীন আবদুল বারী
Published:2026-05-06 18:41:52 BdST
পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে আশ্রয়ের অভিযোগটাঙ্গাইলে আন্তজেলা মোটরসাইকেল চক্রের গডফাদার "লিজন" ধরাছোঁয়ার বাইরে
টাঙ্গাইল জেলায় সঙ্ঘবদ্ধ মোটরসাইকেল চোরের উৎপাতে অতিষ্ঠ ভুক্তভোগীরা। বাইকের মালিকরা চোর চক্রের আতঙ্কে থাকে সব সময়। প্রশাসনের ব্যাপক তৎপরতায় এই চক্রের বেশিরভাগ সদস্যকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হলেও মূল হোতা মোঃ রায়হান আহমেদ লিজন (৩০) এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে।
সূত্র মতে, অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা শাখার একজন পুলিশ সদস্যের সাথে লিজনের বিকাশ নাম্বারে একাধিকবার যোগাযোগের গুরুত্বর অভিযোগ পাওয়া গেছে। মিডিয়া এবং প্রশাসন লিজনের বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নিলে এই পুলিশ সদস্য তাকে আগেই সতর্ক করে দেয়। ফলে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা লিজনকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালালেও তাকে পায় না।
এছাড়া, অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা শাখার ওই পুলিশ সদস্য বিভিন্ন লোক দিয়ে পুলিশের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিজনকে গ্রেপ্তারে উদ্যোগ নেয়া পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেই অভিযোগ (কমপ্লেন) দিয়ে হয়রানি করার পরামর্শ দেয়। মূলত উক্ত পুলিশ সদস্যের আশ্রয়-প্রশ্রয়েই লিজন মোটরসাইকেল চুরির হোতা বনে গেছে বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে।
মোটরসাইকেল চোরচক্রের সদস্যরা পুলিশের কাছে ধরা পড়ার পর ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে, তাদের গডফাদার লিজনের নাম বলার পরও প্রশাসন তাকে আটক করতে পারেনি। চোর দলের স্বীকারোক্তি মোতাবেক লিজনের সাথে বিকাশে লেনদেন সহ সকল প্রমাণাধি পুলিশের কাছে থাকা সত্বেও পুলিশ কেন লিজনকে আটক করতে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
একজন অপরাধী কিভাবে প্রশাসনের শেল্টারে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ায়, তা জানতে বিস্তর অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। এই প্রতিবেদকের হাতে লিজন এবং উক্ত পুলিশ সদস্যের ভয়াবহ তথ্য এসেছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, টাঙ্গাইল সদর সহ বিভিন্ন উপজেলায় ৭-৮ বছর যাবৎ লিজন সিন্ডিকেট মোটরসাইকেল চুরি ও ছিনতাই করে আসছে।মোটরসাইকেল চোর ও ছিনতাইকারী সংজ্ঞবদ্ধ চক্রের দুই গ্রুপে ৬ জন করে ১২ জন সদস্য আছে। এই দুই গ্রুপ যত মোটরসাইকেল চুরি ও ছিনতাই করে তাদের সব মোটরসাইকেল লিজন ক্রয় করে। চুরি করা বাইকের দাম কোনোটা ১৫০০০ টাকা, আবার কোনোটা ২০০০০ টাকা, আবার কোনোটা ২৫০০০ বা সর্বোচ্চ ৩০০০০ টাকায় ক্রয় করে থাকে লিজন।
এরকম একটি গ্রুপের নেতৃত্ব দেয় টাঙ্গাইল সদর থানাধীন বোখারী মসজিদ সংলগ্ন আলামিন নামে এক ছিনতাইকারী। আলামিনের নামে ৫০টিরও অধিক ছিনতাই ও ডাকাতির মামলা আছে। তার গ্রুপের সদস্যরা হচ্ছে, সাগর, হৃদয়, সজল, অনুপ ও সম্রাট।আলামিন ব্যাতিরেকে সাগর, হদয়, সজল, অনুপ ও সম্রাট বর্তমানে জেল হাজতে আছে।
আরেক গ্রুপের নেতৃত্ব দেয় গোপা রাসেল। তার নামেও একাধিক ছিনতাই ও ডাকাতির মামলা রয়েছে। গোপা রাসেল বর্তমানে জেল-হাজতে আছে। তার অন্যতম সহযোগী মনির, স্বাধীন, আলহাজ্ব, ফয়সাল সহ আরো একজন। আলহাজ্ব ও স্বাধীনকে পুলিশ ইতিমধ্যে গ্রেফতার করে জেল-হাজতে প্রেরণ করেছে। এদের মধ্যে গ্রেফতারকৃত স্বাধীন মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের স্বীকারোক্তিতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে। তার দেয়া তথ্য থেকে পুলিশ লিজনের ভয়াবহ কর্মকাণ্ড শুনে রীতিমতো অবাক হয়েছে। নারীলোভী ও মাদক ব্যবসায়ী মুন্নার ঘনিষ্ঠ সহযোগী লিজনই তাদের গডফাদার বলে সাগর স্বীকারোক্তি দিয়েছে। লিজনের অন্যতম সহযোগী বল্লা পোস্ট পাড়ার শাহীনের ছেলে ও আসাদুল্লাহর ছেলে রোমান ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে চোর দলের সহযোগিতা করে আসছে বলে এলাকা সূত্রে জানা গেছে।

আটক হওয়া সঙ্ঘবদ্ধ মোটরসাইকেল চোর দলের স্বীকারোক্তিঃ টাঙ্গাইল সদর থানার মামলা নং-১৮,তাং-২৮/০২/২০২৬, ধারা-৩৭৯ পেনাল কোড এর ধৃত আসামী হৃদয়কে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করিলে আসামী হৃদয় স্বেচ্ছায় ফৌঃ কাঃ বিঃ ১৬৪ ধারা মোতাবেক জবানবন্দি প্রদান করে। জবানবন্দিতে হৃদয় জানায়, সাগরকে সঙ্গে নিয়ে লিজনের নিকট চোরাই মোটরসাইকেল বিক্রয় করা হয়। লিজন বিকাশের মাধ্যমে সাগরের নিকট টাকা পাঠায়।এছাড়া রিমান্ডে আরো জানায়, সাগর ও আলামিন যতো মোটরসাইকেল চুরি ও ছিনতাই করেছে,তা লিজনের নিকট বিক্রি করা হয়েছে।
অপরদিকে টাঙ্গাইল সদর থানার মামলা নং-৩৪, তাং-২৫/০১/২০২৬, ধারা-৩৭৯ পেনাল কোড এর ধৃত আসামী সাগরকে পুলিশী রিমান্ডে নিয়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায়, আলামিনের সহায়তায় যতো মোটরনাইকেল চুরি ও ছিনতাই করে রায়হান আহমেদ@লিজন এর নিকট বিক্রি করা হয়েছে। সাগরের ইমু নাম্বার ০১৭৬৫০৪০৯৮২ থেকে ০১৬৩৩০৮৯৩২৮ ভাই-২৮ নামীয় একটি ইমু আইডি পাওয়া যায়। সেখানে গত ২৬/০২/২০২৬ ১০.৩৪ পি.এম লেখে ”লাস্ট নাম্বার ০৮” যা সাগরের বিকাশ ০১৮৯০২৩৩২২৫ নাম্বার পর্যালোচনায় দেখা যায়, ০১৮৪৩০৮৫৩০৮ নাম্বার থেকে গত ২৬/০২/২৬ তারিখ ১০.৩৪ পিএম ৩০০০ টাকা ডুকে। পরবর্তীতে সাগর একটা ভয়েস ম্যাসেজ পাঠায় যাতে শোনা যায় ”৩০০০ দিলেন কেনো ৪০০০ টাকা দেওয়ার কথা ছিলো। আপনার কথা কাজে মিল পাইলাম না” । সাগরের মোবাইল থেকে প্রাপ্ত বিকাশ পর্যালোচনায় দেখা যায়, ০১৬৩২৫৮০২৮৪ লিজনের নিজ নামে নিবন্ধনকৃত বিকাশ থেকে ৯০০০ টাকা পাঠানো হয়েছে গত ০১/০২/২৬ ০৭.৩২ (পিএম)। এছাড়া এই নাম্বার টি ০১৮০৬০৪৫০০৬ লিজনের নিজ নামে নিবন্ধনকৃত বিকাশ থেকে গত ১৭/০২/২৬ তারিখ ০৫.৩৪ পিএম ১৫০০ টাকা পাঠানো হয়েছে।
সাগরের মোবাইলে ইমু আইডি বিশ্লেষণ করে ”কষ্টের জীবন” নামে আরেকটি ইমু আইডি পাওয়া যায় যা রায়হান আহমেদ লিজন ব্যবহার করে। সাগরের বিকাশে যে কয়েকবার টাকা পাঠানো হয়েছে তার অনেক তথ্য আমাদের নিজস্ব সংবাদদাতার হাতে রয়েছে। এছাড়া ০১৬৩২৫৮০২৮৪ ও ০১৮০৬০৪৫০০৬ এর বিকাশ এনআইডি বিশ্লেষন করে জানা যায় যে, এই নাম্বারের বিকাশ নিবন্ধন লিজনের নামে। তবে উক্ত নাম্বারের সীম রেজিস্ট্রেশন লিজনের পিতা নুরুল ইসলাম ও শারমিন আক্তারের নামে। সীম ও বিকাশ রেজিস্ট্রেশন কপি আমাদের নিজস্ব সংবাদদাতার হাতে রয়েছে।
অপরদিকে ০১৬৩৩০৮৯৩২৮, ০১৮০৬০৪৫০০৬ ও ০১৬৩২৫৮০২৮৪ এই তিনটি সীম নাম্বার বিশ্লেষন করে জানা যায় যে, আলাদা আলাদা দুইটি মোবাইল ব্যবহার করে যার আইএমইআই সমূহ ৩৫২৪০৩০৬৩২১০৭০০ ও ৮৬২৮৫৫০৭৩৪১৩৬০০। উক্ত আইএমইআই এর দুটি কমন নাম্বার পাওয়া যায়। নাম্বার দুটি যথাক্রমে ০১৬৩৩০৮৯৩২৮ ও ০১৮০৬০৪৫০০৬। এই দুই নাম্বার কললিস্ট বিশ্লেষন করে সুস্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে, মোটর সাইকেল চোর ও ছিনতাইকারী সাগরের ০১৮৯০২৩৩২২৫ ও ,০১৭৬৫০৪০৯৮২ নাম্বার এবং প্রায় ৫০ টি মামলার ছিনতাই ও ডাকাতির আসামি আলামিনের এই ০১৭২৮৪০৪৫১৪ নামারের সাথে লিজনের একাধিকবার যোগাযোগ হয়।
আসামি সাগরের দেওয়া তথ্য, ইমু, বিকাশ, সিডিআর, হৃদয়ের দেওয়া তথ্য, আলামিন ও লিজনের নাম্বারসমূহের কললিস্ট বিশ্লেষণ করে সুস্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে, রায়হান আহমেদ লিজন আন্তঃজেলা মোটর সাইকেল চোরচক্রের অন্যতম হোতা। তার যোগসাজশে আসামী হৃদয়, সাগর, আলামিনরা মোটর সাইকেল চুরি ও ছিনতাই করে লিজনের নিকট চোরাই ও ছিনতাইকৃত মোটরসাইকেল বিক্রি করে।
লিজন একজন পুলিশ সদস্যের সহায়তায় পুলিশকেই বেকায়দায় ফেলার জন্য মিথ্যা দরখাস্ত দিয়ে এবং সাংবাদিক সম্মেলন করে, যেন পুলিশ তার স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পিছপা হয়। লিজনের সহায়তাকারীদের নিয়ে আগামীপর্বে চমকপ্রদ অনুসন্ধানি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে।
কে এই লিজন?
টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতি উপজেলার সিংগাইর মধ্যপাড়ার (বল্লা) বাসিন্দা নুরুল ইসলামের ছেলে মোঃ রায়হান আহমেদ লিজন। তার মায়ের নাম আলেয়া বেগম। লিজন পেশায় একজন কাপড়ের দোকানদার হলেও তার মুল পেশা চোরাই মোটরসাইকেল বেচা-কেনা। তিনি কালিহাতী থানাধীন বল্লা ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক (বহিষ্কৃত)।
লিজন গত ৭-৮ বছর যাবৎ চোরাই ও ছিনতাইকৃত মোটরসাইকেল ব্যবসার সাথে জড়িত। বছর দেড়েক আগে টাঙ্গাইল ডিবি কর্তৃক চোরাই মোটরসাইকেলসহ ধরা খাওয়ার পর জামিনে বের হয়ে কালিহাতীর বল্লা বাজারে বটতলায় ছোট বাচ্চাদের কাপড়ের দোকান দেয়। মূলত তার ব্যবসা হচ্ছে, চোরাই ও ছিনতাইকৃত মোটরসাইকেল ক্রয়-বিক্রয়।
এছাড়াও টাঙ্গাইল সদর থানাধীন ওয়ালটন, ভিশন শোরুম থেকে অল্প টাকায় ফ্রিজ, টিভি কিনে বিভিন্ন জনের কাছে বিক্রি করে দিয়ে বাকি কিস্তির টাকা পরিশোধ করতো না বলে এলাকায় কথিত আছে। ওয়ালটনের লোক এলাকায় তার প্রতারণা হাতেনাতে ধরার পড় ব্যাপক হাতাহাতি হয়। বিষয়টি থানা পুলিশ পর্যন্ত গড়িয়েছিল বলে জানা যায়। লিজনকে পুলিশ যাতে গ্রেফতার করতে না পারে, সেজন্য তিনি বাড়িতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করেছে। ক্যামেরার মাধ্যমে পুলিশের উপস্থিত টের পেলে লিজন দ্রুত পালিয়ে যায়। যে কারণে পুলিশ তাকে ধরতে পারছে না বলে প্রশাসনের দাবি।
তবে পুলিশের একটি সূত্র বলছে, পুলিশের একজন কনস্টেবল লিজনকে শেল্টার দিচ্ছে। তিনিও টাঙ্গাইল জেলার বাসাইল থানার বাসিন্দা। তিনি পুলিশের অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা শাখায় কর্মরত রয়েছে। তার সাথে লিজনের সখ্যতা থাকায় পুলিশ লিজনকে গ্রেফতার করতে গেলেই বিপদে পড়তে হয়। তার সাথে মোটরসাইকেল চোর ও ছিনতাইকারীদের মূল হোতা রায়হান আহমেদ লিজনের বিকাশকৃত নাম্বারসমূহে যোগাযোগের যথেষ্ট তথ্য বিকাশে লেনদেনের তথ্য ও নাম্বার আমাদের হাতে রয়েছে। একজন পুলিশ কনস্টেবলের শেল্টারে লিজন বিভিন্ন অপকর্ম করে থানা পুলিশকে পাত্তা দিচ্ছেনা। থানা পুলিশ ভয় পাচ্ছে লিজনের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে। কিছু হলেই লিজন পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে এবং ওই পুলিশ সদস্য দিয়ে পুলিশ হেডকোয়ার্টারে রিপোর্ট করায়, সাংবাদিক দিয়ে হয়রানি করায়। যার ফলে রায়হান আহমেদ লিজনের অপকর্ম জেনেও পুলিশ তাকে গ্রেফতার করতে সাহস পাচ্ছে না। এই ব্যাপারে লিজনের সাথে মিডিয়ার এক ব্যক্তির সখ্যতা পেয়েছে পুলিশ।
এই বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে টাঙ্গাইল জেলার পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শামসুল আলম সরকার এই প্রতিবেদককে বলেন, অপরাধীদের ধরতে পুলিশ ভয় পায় একথা সত্য নয়।
অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা শাখার পিআইও'র শেল্টার দিচ্ছে মোটরসাইকেল চোরের হোতা রায়হান আহমেদ লিজনকে। এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, উনি আমার অধীনে নয়। সে পুলিশ হেডকোয়ার্টারের অধীনে। একজন পুলিশ সদস্য নিজ জেলায় চাকরি করতে পারে কি না এমন প্রশ্নে এসপি বলেন, পিআইও ইচ্ছা করলে পারে।
তিনি আরও বলেন, হঠাৎ করে জানতে চাইলেই একজন অপরাধী সম্পর্কে বলা যায় না। কারণ আমাদের কাছে অসংখ্য মামলা ও আসামির তালিকা রয়েছে। তাই খোঁজ নিয়ে বলতে হবে। তবে বার বার তিনি বলেন, পুলিশ আসামি ধরতে ভয় পায় এই তথ্য সঠিক না।
এই বিষয়ে পুলিশ হেডকোয়ার্টারের অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা শাখার একজন পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, বিষয় টি আমাদের জানা নেই। তবে অভিযোগ সত্য হলে অবশ্যই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আর চোর চক্রের মূলহোতাকে পুলিশ গ্রেফতার করতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই।
Unauthorized use or reproduction of The Finance Today content for commercial purposes is strictly prohibited.
